
অধিনায়ক হিসাবে আরও একবার ধোনি
গত সেপ্টেম্বর মাসে এশিয়া কাপ ২০১৮-এর সুপার ফোর পর্যায়ে আগদেই ফাইনালে উঠে যাওয়ায়, আফগানিস্তান ম্যাচে বিশ্রাম দেওযা হয়েছিল দলের অধিনাক রোহিত শর্মা ও সহঅধিনায়ক শিখর ধাওয়ানকে। ফলে সেই ম্যাচে অধিনায়কত্বের ভার তুলে দেওয়া হয় ধোনির হাতে। অধিনায়ক হিসাবে ধোনির অভিজ্ঞতা নিয়ে কোনও প্রশ্নই নেই, সেই সঙ্গে তাঁকে সম্মান প্রদর্শনের জন্যই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যার ফলে ২০০টি ম্যাচে ভারতের হয়ে অধিনায়কত্ব করার রেকর্ড করেছিলেন তিনি।

সিওএ-এর আপত্তি
এশিয়া কাপের পরই শোনা গিয়েছিল ধোনিকে অধিনায়ক করাটা বিসিসিআই-এর কর্তাদের কারোর কারোর পছন্দ হয়নি। কিন্তু মিতালী বিতর্কের পর, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটে বেরিয়ে আসার মতোই জানা গিয়েছে, শুধু অপছন্দ করাই নয়, বিসিসিআই-এর ক্রিকেট প্রশাসনিক কমিটির একজন রীতিমতো ধোনিকে অধিনায়ক না করার জন্য টিম ম্যানেজমেন্টের উপর চাপও দিযেছিলেন। সিবিসিআই-এর এক সূত্র জানিয়েছে, তাঁর মত ছিল ধোনির বদলে দলের তারপরে যিনি সিনির তাঁকে অধিনায়ক করা হোক। ধোনিকে ক্যাপ্টেন করাটা পিছিয়ে যাওয়ার সামিল।

হাস্যকর দাবি
ওই সূত্র জানিয়েছে, ডায়না এডুলজি যে সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন তাঁরা দল নির্বাচনে নাক গলান না, সেই দাবি হাস্যকর। কারণ, শুধু মেয়েদের ক্রিকেটেই নয়, ধোনির ঘটনায় প্রমাণিত পুরুষদের ক্রিকেটেও দল নির্বাচনের বিষয়ে নিয়মিত হস্তক্ষেপ করে থাকে সিওএ।

মিতালীর অভিযোগ
ক্রিকেট প্রশাসনিক কমিটির সদস্য তথা ভারতের প্রাক্তন মহিলা ক্যাপ্টেন ডায়না এডুলজির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছেন মিতালী রাজ। তিনি জানান ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ফেরার পরই, রমেশ পাওয়ার তাঁকে কিভাবে নাকাল করেছেন, তা বিস্তারিত ভাবে ডায়নাকে জানিয়েছিলেন তিনি। সব জেনেশুনেই রমেশকে কার্যত সমর্থন জানিয়েছেন ডায়না, বলে অভিযোগ মিতালীর। জানান আসলে ডায়নারও দলের কারোর কারোর প্রতি পক্ষপাত রয়েছে।


Click it and Unblock the Notifications


















