
মেরুদণ্ডহীন
জানা গিয়েছে কোচ হিসাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজে রমেশ পাওয়ার গেলেও তাঁকে মুম্বই থেকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন বিসিসিআই-এরই এক 'প্রভাবশালী' ব্যক্তিত্ব। তাঁর একটি করে ফোন গিয়েছে আর পাওয়ার তাঁর সিদ্ধান্ত বদলেছেন। চাপের মুখে নতি স্বীকার করে গিয়েছেন বারে বারে। এই বিষয়টি বিসিসিআই ভাল চোখে দেখেনি।

উত্তরহীন
ওয়েস্টইন্ডিজ থেকে ফেরার পর বিসিসিআই-এর কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক হয় পাওয়ারের। জানা গিয়েছে সেই বৈঠকে পাওয়ারকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কিকরে এবং কিভাবে মিতালি ওপেনিং ব্যাটসম্যান থেকে টুর্নামেন্টের মাঝে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হয়ে গেলেন। জানতে চাওয়া হয়েছিল দুই ম্যাচে পর পর অর্ধ শতরান করার পরেও কেন তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, পাওয়ার এইসব প্রশ্নের কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।

আলোচনাহীন
জানা গিয়েছে মিতালীর মতো সিনিয়র ক্রিকেটারকে বাদ দিতে হলে, বোর্ড আশা করে তাঁর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তা করা হোক। কিন্তু মহিলা টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মিতালীকে বাদ দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা তো দূর, ম্যাচের আগে তাঁকে কিছু জানানোই হয়নি। শিধি তাই নয় জানা গিয়েছে এক্ষেত্রেও ম্যাচের দিন সকালে মুম্বই থেকে আসা ফোনের পরেই দল থেকে বাদ দেওয়া হয় মিতালীকে। এই বিষয়টির কারণেও বোর্ডের রোষে পড়েছেন পাওয়ার।

শেষ পেরেক
তাঁর কফিনে শেষ পেরেক অবশ্যই মিতালীর সঙ্গে দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে। এখনও তাঁর পক্ষে সওয়াল করছেন বিসিসিআই সিওএ সদস্য জায়না এডুলজি। ভারতের টি২০ অধিনায়ক হরমনপ্রিত-সহ বেশ কেয়কজন ক্রিকেটারও পাওয়ারের কোচিং পছন্দ করেছেন। তাঁদের মতে দলে তিনি প্রতিযোগিতার মানসিকতা আমদানি করেছিলেন। কিন্তু মিতালী কান্ডে দলের মনোবলে, একাত্বতায় বড় আঘাত হেনেছে বলে মত বিসিসিআই কর্তাদের। তাই রমেশ পাওয়ারকে আর কোচের পদে রাখতে নারাজ তাঁরা।


Click it and Unblock the Notifications


















