নিশামের রান-আউট (বনাম নিউজিল্যান্ড, ২০১৯)
ভারতের ২৫৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ৩১ ওভারে ১৩৫ রানে ৬ উইকেট পড়ে গিয়েছিল কিউইদের। কিন্তু এরপর স্যান্টনারের সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ ভাল ব্যাট করছিলেন জেমস নিশাম। ৩৭তম ওভারে কেদার যাদবের বলে জেমস নিশামের বিরুদ্ধে এলবিডব্লুর আবেদন উঠেছিল। নিশাম রান নিতে এগিয়েলেন। কিন্তু স্যান্টনার তাঁকে ফিরিয়ে দেন। কিন্তু তিনি ক্রিজে ফেরার আগেই তাঁকে ক্রিবাইরে দেখে সরাসরি বল ছুঁড়ে স্টাম্প ভেঙে দেন ধোনি। হতবম্ভ নিশাম প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।
সাব্বির রহমানের স্টাম্পিং (বনাম বাংলাদেশ, ২০১৬ বিশ্ব টি২০)
এই ম্যাচে মুস্তাফিজুর রহমানকে ধোনির রান আউটই বেশি আলোচিত। কিন্তু ওই এখই দিনে স্টাম্পের পিছনে আরও একবার দ্বলে উঠেছিলেন ধোনি। ১৫ বলে ২৬ করে বড় রানের ইনিংস খেলার দিকে এগোচ্ছিলেন সাব্বির। দশম ওভারে সুরেশ রায়নার বলে ফঅলিক করতে গি.য়ে তিনি সামান্য ভারসাম্য হারিয়েছিলেন। ধোনির জন্য ওইটুকু সময়ই যথেষ্ট ছিল।
ইয়ান বেলের স্টাম্পিং (বনাম ইংল্যান্ড, ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল)
বৃষ্টির জন্য ম্যাচ ২০ ওভারে নেমে এসেছিল। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়িয়েছিল ১৩০। তবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টপ অর্ডারের কাউকে থাকতে হত। সেই ভূমিকাটাই নিতে চেয়েছিলেন ইয়ান বেল। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজার একচটি বল খেলতে গিয়ে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য তাঁর পিছনের পায়ের গোড়ালি উঠে গিয়েছিল। তা ক্রিজে নেমে আসার আগেই স্টাম্প ভেঙে দিয়েছিলেন ধোনি।
মুস্তাফিজুর রহমানের রান আউট (বনাম বাংলাদেশ, ২০১৬ বিশ্ব টি২০)
সাব্বিরকে স্টাম্প করা ম্যাচে ধোনি সেরা মুহূর্ত উপহার দিয়েছিলেন ম্যাচের একেবারে শেষে। বাংলাদেশের জেতার জন্য শেষ ওভারে ১১ রান দরকার ছিল। হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রথম তিন বলে দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন মুসফিকুর রহিম। শেষ ৩ বলে দরকার ছিল মাত্র ২। পরের দুই বলে বাংলাদেশ ২টি উইকেট হারায়। স্ট্রাইকে ছিলেন টেলএন্ডাররা। ১ বলে দরকার ২। পরিস্থিতি বুঝে ধোনি কয়েক কদম এগিয়ে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, খুলে নিয়েছিলেন ডান হাতের গ্লাভস-ও। পাণ্ডিয়া বলটি রেখেছিলেন অফস্টাম্পের অনেকটা বাইরে, যা বাংলাদেশী টেল এন্ডার ব্যাটে লাগাতে পারেননি। বদলে দৌড়ে রান নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধোনিও দৌড়ে এগিয়ে এসে অন্য প্রান্তে থাকা মুস্তাফিজুর পৌঁছনোর আগেই স্টাম্প ভেঙে দেন।


Click it and Unblock the Notifications



















