
ওল্ড ট্রাফোর্ডে শুরু
এখন ৩৩ বছর বয়স রোনাল্ডোর। ২০০৩ সালের গ্রীষ্মে তিনি যখন ওল্ড ট্রাফোর্ডে এসেছিলেন, তখন তিনি ছিলেন নেহাতই এক প্রতিভাবান ফুটবলার। সেরা ফুটবলারদের দ্বন্দ্বে তাঁর নাম ধারে কাছেও ছিল না। তাকে স্যার আলেক্স নিয়ে এসেছিলেন ডেভিড বেকহ্যামের পরিবর্ত হিসেবে। কিন্তু শুরুতে একমাত্র স্যার অ্যালেক্স ছাড়া আর কেউই বোধহয় আন্দাজ করতে পারেননি তিনি শেষ পর্যন্ত কোথায় পৌঁছতে পারেন।

৩টি প্রিমিয়ার লিগ ১টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
শুরুর দিনগুলোয় তাঁর খেলায় স্কিলের ঝলক ছিল, স্টাইলের চটক ছিল, কিন্তু বেকস্-এর সঙ্গে তুলনা কার মতো কিছু দেখা যায়নি। কিন্তু এরপর ধীরে ধীরে তিনি আজকের দিনের গোল-গেটারে পরিণত হন। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জোরে তিনি ম্যান ইউকে তিন-তিনটি প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। দিয়েছিলেন উয়েফা চ্যম্পিয়ন্স ট্রফিও।

আদর্শ রঙ্গমঞ্চ
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকাকালীন সেখানকার কোচ মাইক ফেলানের অধীনে অনেকদিন অনুশীলন করেছিলেন রোনাল্ডো। ফেলান জানিয়েছেন, 'রোনাল্ডো কঠিন অনুশীলন করত। খেলার পিছনে অসম্ভব খাটতো। ওর মতো ভাল খেলার অচ্ছে আমি কারোর মধ্যে দেখিনি। ও বুঝেছিল যে পরিচিতি ওর দরকার ছিল তা ইউনাইটেডে পেয়ে গিয়েছে ও। বুঝেছিল ওর খেল দেখাবার আদর্শ রঙ্গমঞ্চ মিলে গিয়েছে। '

ফার্গুসনের কাছে আবদার
স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনই এফসি পোর্তো থেকে রোনাল্ডোকে ম্যানচেস্টারে নিয়ে এসেছিলেন। আদর্শ মঞ্চ পেয়ে নাকি রোনাল্ডোর চাহিদা আরও বেড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন কোচ ফেলান। তিনি বলেছেন, 'ও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হতে চাইত'। ফার্গুসনের কাছে গিয়ে তিনি নাকি রীতিমতো দাবি করতেন তাঁকে বিশ্বের সেরা ফুটবলার হিসেবে তৈরি করার জন্য।

রোনাল্ডোর ম্যানচেস্টার প্রীতি
ম্যান ইউয়ের সদস্য সমর্থক থেকে কোচিং স্টাফদের মনেও যেমন রয়ে গিয়েছেন রোনাল্ডো, তেমন রোনাল্ডোর মনেও বরাবর বিশেষ জায়গায় থেকেছে ওল্ড ট্রাফোর্ড। ২০১৭ সালে একবার রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকদের বিদ্রুপের শিকার হয়ে রোনাল্ডো বলেছিলেন তিনি ম্যান ইউয়ের দিনগুলিকে মিস করেন। তিনি বলেছিলেন, 'আমি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে অনেকদিন খেলেছি। সেখানে কখনও সমর্থকরা আমায় বিদ্রুপ করেননি। সম্ভবত ইংরেজ সমর্থকদের মানসিকতা আলাদা। ইংল্যান্ডের স্মৃতি ভোলার নয়'


Click it and Unblock the Notifications




















