কল্যানীতে আইজলকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। ২০১৪-১৫ মরসুমের পর দ্বিতীয় বারের জন্য আই লিগ জিতল মেরিনার্স। জাতীয় লিগ ও আই লিগ ধরলে এই নিয়ে পঞ্চমবার ভারত সেরা হল মোহনবাগান। চলতি লিগে এই নিয়ে ১৪ ম্যাচ অপরাজেয় মোহনবাগান।
১-০ জিতে আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা অতিক্রান্ত। অতিরিক্ত সময়ে মোহনবাগান গোল ব্য়বধান বাড়়াতে পারে কিনা, দেখার।
এই ম্যাচ জিতলে লিগে টানা ১৪টি ম্যাচ জিতবে মোহনবাগান।
মোহনবাগান দুর্গ এখনও অক্ষত রয়েছে। জাস্টিন মর্গ্যান ফ্রি-কিক নিলেও গোল পেল না।
১-০ গোলে এগিয়ে মোহনবাগান।
মোহনবাগানের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।
সেনেগালের ফুটবলার বাবা দিওয়ারা টুর্নামেন্টে ১০ টি গোল করে ফেললেন।
বেইতিয়ার ছোট্ট টোকায় বাবাকে পাস দেন। সেখান থেকেই ডান পায়ের জোরালো শটে আইজলের জাল কাঁপালেন বাবা।
৮০ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানকে এগিয়ে দিলেন বাবা। উড়ছে সবুজ-মেরুন আবির।
বাবা দিওয়ারার গোল। ডান পায়ের শট গোল করলেন দিওয়ারা।
শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের ট্রফি ভান্ডার সমৃদ্ধ। এবার সেই ভান্ডারে দ্বিতীয় বারের জন্য আইলিগ ট্রফি ওঠে কিনা সেটাই এখন দেখার। সেই সঙ্গে পঞ্চমবারের জন্য মোহনবাগান ভারত সেরা হতে পারে কিনা দেখার।
নির্ধারিত সময়ে ১৩ মিনিট বাকি রয়েছে।
৭৭ মিনিটে বেইতিয়ার ইনসুইং কর্ণার, আইজল গোলকিপার বল ধরে ফেলেন।, শুভ ঘোষ বিপদ্দজনকভাবে পা তোলায় রেফারি তাঁকে হলুদ কার্ড দেখান।
গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল মোহনবাগান।
আশুতোষের ভাসানো সেন্টার থেকে বাবা দিওয়ারা চেষ্টা করলেও তাঁর হেড পোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে গেল।
৭১ মিনিটে বেইতিয়ার ফ্রিকক, সেখান থেকে ফিরতি বলে দারুণ ভলিতে আশুতোষ দারুণ চেষ্টা করলেন, যদিও বল তেকাঠিতে রাখতে পারেননি।
৭০ মিনিটে আইজল গোলরক্ষক জোথান মাওয়াইয়ার ফিস্ট করে বল ক্লিকার করে বিপদ মুক্ত করলেন। তাঁর চেষ্টার প্রশংসা করতে হবে।
৬৪ মিনিটে সেটপিস থেকে বেইতিয়ার চেষ্টা। আইজলের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডারদের সামনে মোহনবাগানের আক্রমণ সফল হয়নি।
৬৪ মিনিটে সেটপিস থেকে বেইতিয়ার চেষ্টা। আইজলের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডারদের সামনে মোহনবাগানের আক্রমণ সফল হয়নি।
৫১ শতাংশ বল পজিশন আইজলের, মোহনবাগানের বল পজিশন ৪৯ শতাংশ।
৬০ মিনিট অতিক্রান্ত দুই দলই এখনও পর্যন্ত কল্যাণীর মাঠে গোল পেল না।
৫৫ মিনিটে গতিময় ফুটবল খেলে বাগান সুযোগ তৈরি করলেও অফ সাইড ট্র্যাপে পড়ায় গোল এল না।
এরপর ২০০১-২০০২ সালে ফের মোহনবাগান জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
এরপর ১৯৯৯-২০০০ সালে মোহনবাগান দ্বিতীয়বারের জন্য জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
১৯৯৭-৯৮ সালে প্রথমবার জাতীয় লিগ জেতে মোহনবাগান।
লিগ জিতলে মোহনবাগান পঞ্চমবার ভারত সেরা হবে। এর আগে একবার আই লিগ ও তিন বার জাতীয় লিগ জিতেছে মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু। প্রথমার্ধের খেলায় আইজল দলের প্রাধান্য ছিল।
প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন মোহনবাগান ০-আইজল এফসি ০।
প্রধমার্ধের শেষ মুহূর্তে দলগতভাবে মোহনবাগান দারুণ একটা সুযোগ তৈরি করে। যদিও তুরশোনভের প্রয়াস ব্যর্থ হল।
বল পজিশনে এগিয়ে যাচ্ছে আইজল। ৫১ শতাংশ বল পজিশন আইজলের।
৪৪ সেট পিস নিলেন বেইতিয়া। গোল আসেনি।
সেট পিস পেল মোহনবাগান। বাবা দিওয়ারা কড়া নজড়ে রেখেছে জোশেফ।
ম্যাচে এদিন মোহনবাগান বেশ কিছু মিস পাস করে। অন্যদিকে ডিফেন্সে একবারের জন্যেও কোনও ভুল করছে না আইজল।
৪০ মিনিট অতিক্রান্ত। এখনও মোহনবাগান গোলের দেখা পায়নি।
বেইতিয়া ও দিওয়ারার বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক ডিফেন্স আইজলের।
আইজলের ডিফেন্ডার রিচার্ড কাসাগা ও জোশেফের বিরুদ্ধে বারবার আটকে যাচ্ছে মোহনবাগান।
শরীর ব্যবহার করে দিওয়ারাকে আটকে দেন আইজলের জোশেফ। ফলে মোহনবাগানের গোল এল না।
৩৬ মিনিটে সুহেরের পাস থেকে বাবা দিওয়ারা সুযোগ তৈরি করেছিলেন।
৫৩ শতাংশ বল পজিশন নিয়ে খেলছে মোহনবাগান। ৪৭ শতাংশ বল পজিশন আইজলের।
মোহনবাগানের গোল চাই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য। ম্যাচের ৩০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি।
৩০ মিনিটে সুহের গড়ানো শট নিলেন, যদিও মোহনবাগানের হয়ে গোল এল না।
আইজলের ডিফন্স ভাঙাই এখন মোহনবাগানের প্রথম লক্ষ্য। আইজলের হয়ে মাঝমাঠে প্রতিআক্রমণ তৈরি করে ফুটবলাররা সংঘবদ্ধ ফুটবল খেলছেন। চাপ বাড়াচ্ছে আইজল এফসি।
বাগানের হয়ে ২৫ মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন বাবা দিওয়ারা। শট নিতে পারলে আইজলের বিপদ আসতে পারত।
২০১৪-১৫ সালে মোহনবাগানের হয়ে ধনচন্দ্র আই লিগ জিতেছিলেন। সেদিনের সেই চ্যাম্পিয়ন দল থেকে ধনচন্দ্র একমাত্র ফুটবলার যিনি এবারের আজকের ম্যাচে রয়েছেন।
আইজল এদিন দারুণ ডিফেন্স করছে।
এদিন আই লিগ জিতলে ২০১৪-১৫'র পর দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হবে মোহনবাগান।
কল্যাণীতে বাগানের সমর্থন দেখার মতো। বাগানের জয় দেখতে গ্যালারিতে হাজার হাজার বাগান সমর্থক।
এবছর আই লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচ এই আইজলের বিরুদ্ধে মোহনবাগান ম্যাচ ড্র করেছিল।
৮ মিনিটে আইজলের লালরোসাঙ্গাকে হলুদ কার্ড দেখানো হল।
৬ মিনিট অতিক্রান্ত। এখনও কোনও গোল আসেনি। দুই দলই গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেননি।
কল্যাণীতে শুরু হল ম্যাচ।
Ready for the big match!! Lets bring it home👊👊#JoyMohunBagan #DreamBigSupportFearlessly #HeroILeague pic.twitter.com/F12MXkjsQl
— Mohun Bagan (@Mohun_Bagan) March 10, 2020
এদিন মোহনবাগন-আইজল ম্যাচ ড্র হলে, মোহনবাগান ৩৭ পয়েন্টে পৌঁছবে। তখন ডার্বি ম্যাচ ড্র বা জিতলে আইলিগ চ্যাম্পিয়ন হবে বাগান।
.@Mohun_Bagan are focused 👁️ to seal their #HeroILeague 🏆 today and paint 🎨 the city 💚♥️ #IndianFootball ⚽ #LeagueForAll 🤝 #MBAFC ⚔️ #Holi #Holi2020 #HoliFestival pic.twitter.com/jdkZIgpaCu
— Hero I-League (@ILeagueOfficial) March 10, 2020
ম্যাচ ড্র হয়ে ১৫ মার্চ আই লিগ ডার্বির দিকে সবার চোখ থাকবে।
এদিন আইজলের বিরুদ্ধে ম্যাচ ড্র হলে বাগান সমর্থকদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেলিব্রেশনের জন্য ডার্বি ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সহজ সমীকরণে কল্যাণীতে আজ আইজল বধ করলেই আই লিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান।
অন্যদিকে রিয়াল কাশ্মীর শেষ ৫ ম্যাচ জিতলে ২২+১৫=৩৭ পয়েন্টে পৌঁছবে। সেক্ষেত্রে তারাও চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে না।
মিনার্ভার হাতে ৫ ম্যাচ বাকি রয়েছে। মিনার্ভা লিগে নিজেদের শেষ ৫ ম্যাচ জিতলে ২৩+১৫=৩৮ পয়েন্টে পৌঁছবে।
অন্য দলগুলি তাঁদের সব ম্যাচ জিতলেও ৩৯ পয়েন্টে পৌঁছতে পারবে না।
১৫ ম্যাচ থেকে মোহনবাগান ৩৬ পয়েন্টে রয়েছে। এদিন জিতলে ৩৯ পয়েন্টে পৌঁছবে বাগান।
লিগ চ্যাম্পিয়ন হতে মোহনবাগানের আর ২ পয়েন্ট প্রয়োজন।
আজ ঘরের মাঠে আইজলকে হারালেই আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হবে মোহনবাগান।