ইতিহাসের মহাপতন। দুটি চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট পেয়েও ইতিহাস গড়তে পারলেন না ফেডেরার। আরও একবার উইম্বলডন জেতার মহা সুযোগ তখনই হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। শেষপর্যন্ত আশঙ্কা সত্যি করে জেতা ম্যাচ উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টে ফেলে এলেন ফেডেরার। আবারও একবার জয়ের দোরগোড়া থেকে ফিরতে হল তাঁকে।
প্রতিপক্ষ সেই জকোভিচ। বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। কিন্তু কিংবদন্তি ফেডেরার যে কোনও অংশেই কম ছিলেন না এদিনের ম্যাচে। বয়সকে জয় করে পাঁচ বছরের ছোট জকোভিচের কাছে হার মানতে হল ঠিকই। কিন্তু বলা ভালো ম্যাচটা হার মানতে হল ভাগ্যের কাছে। বা বলা যায় ঐতিহাসিক ভুলের কাছে।
শেষ সেটে ৮-৭ অবস্থায় ফেডেরার তখন ৪০-১৫-য় এগিয়ে একটি পয়েন্ট পেলেই ইতিহাস তৈরি করে ফেলবেন ফেডেরার। কিন্তু ভাগ্য দেবতা, তা লিখে রাখেননি। দুটি পয়েন্টই তিনি জকোভিচকে উপহার দিলেন। আরও দুটি পয়েন্ট বাইরে মেরে তিনি শেষমেষ গেমমটিই দিয় দিলেন জকোভিচকে।
তারপরই লড়াই থেকে পিছপা হলেন না ফেডেরার। বরং ১১-১১ অবস্থায় ফেডেরার জকোভিচের সার্ভিসে অ্যাভবান্টেজ পজিশনে ছিলেন। কিন্তু জকোভিচের নিখুঁত শর্ট ফেডেরারকে সুযোগ দেয়নি ব্রেক করার। শেষমেশ টাইব্রেকারে নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। এদিন আগের দুটির মতো চূড়ান্ত টাইব্রেকেও হারতে হল ফেডেরারকে।
ম্যাচের ফল জকোভিচের পক্ষে ৭-৬, ১-৬, ৭-৬, ৪-৬ ও ১৩-১২। আরও একবার ফেডেরারকে হারিয়ে চ্যাম্পিন হলেন নোভাক জকোভিচ। মোক্ষম সময়ে নার্ভ ফেল করেই ম্যাচ খোয়াতে হল ফেডেরারকে। আরও একবার ইতিহাস গড়তে ভাগ্য সঙ্গ দিল না কিংবদন্তি ফেডেরারের। জকোভিচ পঞ্চমবার উইম্বলডন খেতাব ঝুলিতে পুরে নিলেন।