
গোলরক্ষক
এটিকের অরিন্দম ভট্টাচার্য বা এফসি পুনে সিটির বিশাল কাইথ-রা জাতীয় দলের প্রথম দলের গোলরক্ষক না হলেও ব্যাক হিসেবে কনস্টানটাইনের ভাবনায় এঁরাই রয়েছেন। অরিন্দম ৭টি ম্যাচে মাত্র ১বার ক্লিন শিট রাখতে পেরেছেন। গোল খেয়েছেন ৮টি। সেভ করেছেন ১৬টি। আর কাইথ খেলার সুযোগ পেয়েছেন ৪টি ম্যাচে। গোল খেয়েছেন ১০টি, বাঁচিয়েছেন ১৪টি।

রক্ষণ
এএফসি এশিয়ান কাপে ভারতের জাতীয় দলের রক্ষণে কনস্টান্টাইনের পরিকল্পনার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ আনাস এডাথোরিকা। কিন্তু এই মরসুমের আইএসএল-এ আনাস এখনও তাঁর নতুন ক্লাব কেরল ব্লাস্টার্সের হয়ে মাঠে নামারই সুযোগ পাননি।
জাতীয় দলের ডিফেন্সিভ জুটি প্রীতম কোটাল ও নারায়ণ দাস দুজনেই এবার রয়েছেন দিল্লি ডায়নামোস দলে। কিন্তু তাদের অবস্থাও যে বিশেষ ভাল নয়, তা বোঝা যায় তাদের দলের পারফরম্যান্সেই। এখনও একটিও ম্যাচ জিততে পারেনি দিল্লি।
সার্থক গোলুই সম্বৃদ্ধ পুনের রক্ষণ একটি ম্যাচেও ক্লিন শিট রাখতে পারেনি।

মাঝমাঠ
রক্ষণ থেকে মাঝমাঠে এলেও ছবিটা বিশেষ পাল্টায় না। এফসি পুনে সিটির হয়ে ৪ ম্যাচে মাঠে নেমে মাত্র ১৭৭ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছেন নিখিল পুজারি। আশিক কুরুনিয়ান মাঝে মাঝে জ্বলে উঠলেও তাঁর ধারাবাহিকতা নেই।
সাফ কাপে অনিরুধ থাপার খেলার প্রশংসা করেছিলেন কনস্টান্টাইন। চেন্নাইন এফসির মাঝমাঠেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখা হয়েছে। কিন্তু ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের মাঝমাঠে এই মরসুমে তাঁর কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে বেশ কিছু গোল হয়েছে। তাঁর চেন্নাইন সতীর্থ আরেক জাতীয় মিডফিল্ডার জার্মানপ্রিত সিং ৩০৪ মিনিট খেলেও এখনও প্রথম দলে জায়গা পাকা করতে পারেননি।
তাঁর প্রতিভা ও দক্ষতা নিয়ে অনেক কথা হলেও বেঙ্গালুরুর মাঝমাঠে ৫টি ম্য়াচে শুরু থেকে খেলেও এখনও অবধি একটি গোলও করতে বা করাতে পারেননি উদান্ত সিং।
কেরল ব্লাটার্স-এর হয়ে হোলিচরণ নার্জারি মরসুমের শুরুটা ভাল করেছিলেন। দুর্দান্ত একটি গোল করেছিলেন কিন্তু তারপর থেকে তার ফর্ম ক্রমেই পড়েছে।
আর দিল্লির হয়ে এই মরসুমে মাঠে নামারই বিশেষ সুযোগ পাচ্ছেন না বিনিত রাই।

আক্রমণ
সবাই জানেন জেজে লালপেখলুয়া তিন কাঠিটা খুব ভাল চেনেন। কিন্তু এই বছর চেন্নাইনের স্ট্রাইকার হিসেবে এখনও তিনি একটিও গোল পাননি। আত্মবিশ্বাস একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।
এটিকের হয়ে বলবন্ত সিং ৭টি ম্যাচে নেমে গোল পেয়েছেন মাত্র ১টি। কোনও অ্যাসিস্টও নেই।
জামশেদপুরের হয়ে য়েটুকু খেলার সুযোগ পেয়েছেন সুমিত পাসি ও ফারুখ চৌধুরি ভালই খেলেছেন। কিন্তু ক্লাব দলে নিয়মিত খেলার সুযোগ তারা করে নিতে পারেননি।

আশা দেখাচ্ছেন যাঁরা
এরমধ্যে আশা দেখাচ্ছেন হাতেগোনা কয়েকজন। ভারতের জাতীয় দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী বেঙ্গালুরুর হয়ে দারুণ ফর্মে আছেন। ৫ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন তিনি।
বেঙ্গালুরুর হয়ে ফর্মে আছেন ১ নম্বর গোলকিপার গুরপ্রিতও। ৫ ম্যাচে ২টি ক্লিন শিট রেখেছেন তিনি। গোল খেয়েছেন ৪টি, বাঁচিয়েছেন ১৩টি।
নর্থইস্টের হয়ে মিডফিল্ডার রোলিং বোর্গেসও খুবই ভাল খেলছেন। ৬ ম্যাচে ২টি গোল করেছেন তিনি, করিয়েছেন ১ টি।
মিডফিল্ডে ভাল খেলেছেন এফসি গোয়ার জ্যাকিচাঁদ সিং-ও। ৬ ম্যাচে ২টি গোল করেছেন, ১টি করিয়েছেন।
গোল বা অ্যাসিস্ট ঝুলিতে না থাকলেও ভাল খেলার দলে আছেন এটিকের মিডফিল্ডার প্রণয় হালদারও।


Click it and Unblock the Notifications




















