
'৮৩, '৮৫-এর থেকে এগিয়ে
ইংল্যান্ড সফরে তাঁর 'গত ১৫ বছরের সেরা দল' মন্তব্য নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। কিন্তু এদিন তাঁর কোচিং-এ প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয়ের পর তাঁরই বলার দিন। খেলোয়াড় জীবনে কপিল দেবের দলের হয়ে ১৯৮৩ সালে ভারতের প্রথম একদিনের বিশ্বকাপ-জয়ী দলের সদস্য ছিলেন শাস্ত্রী। এদিনের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়কে তিনি সেই বিশ্বকাপ জয় এবং ৮৫ সলের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের থেকেও এগিয়ে রেখেছএন। কারণ তাঁর মতে সেগুলি ছিল একদিনের ক্রিকেট, আর এটা হল ক্রিকেটের 'আসল সংস্করণ'।

জীবনের সেরা সাফল্য
কোচ যদি ১৯৮৩ সালে বিশ্বকাপ জিতে থাকেন, তাহলে ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন অধিনায়ক কোহলি। এছাড়া ব্য়াটসম্যান হিসেবে তাঁর আকাশ ছোঁয়া সাফল্য রয়েছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম সিরিজ জয়কে তিনি তাঁর জাবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, ২০১১ সালে তিনি দলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন। সিনিয়রদের আবেগে ভাসতে দেখেছিলেন, কিন্তু তিনি সেই জয়ের মাহাত্ব অনুভব করতে পারেননি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় তিনবার সফর করে অবশেষে জয় পেয়েছেন। এর জন্য তিনি অত্যন্ত গর্বিত।

ব্য়াটিং ইউনিট ও পূজারা
কোহলি জানিয়েছেন তাঁরা বরাবর একটি ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে খেলতে চেয়েছেন। যা এই সিরিজে দেখা গিয়েছে। তিনি জানান, পূজারার কথা অবশ্যই আলাদা করে বলতে হবে। পূজারার আগের অস্ট্রেলিয়া সফরটা বেশ খারাপ গিয়েছিল। কোহলি জানিয়েছেন, পূজারা ব্যর্থতাকে গ্রহন করতে জানেন। আর তারপর নিজের ব্য়াটিং নিয়ে খাটেন। কিন্তু, তাঁর মতে সিরিজে ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে দলের সব ব্য়াটসম্য়ান অবদান রেখেছেন।

দেশের বোলাররা শিখুক
দলের বোলারদের প্রসঙ্গে গর্বিত অধিনায়ক জানিয়েছএন, শুধু ক্যাঙ্গারুর দেশেই নয়, এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডেও বোলাররা দারুণ পারফর্ম করেছেন। জানিয়েছেন ভারতীয় দলে এই বোলিং ইউনিট বিপ্লব ঘটিয়েছে। তিনি জানান, বোলাররা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে উইকেট তোলার পরিকল্পনা তৈরি করেন। তারর সেটা কোহলিকে জানিয়ে দেন। তার প্রস্তুতি ও ফিটনেসেরও প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, দেশের উঠতি বোলাররা জাতীয় দলের বোলারদের দেখে শিখুন।

পিকচার আভি বাকি হ্যায়
'পিকচার আভি বাকি হ্যায় দোস্ত' - এদিন প্রায় এই জনপ্রিয় ফিল্মি সংলাপের প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে বিরাট কোহলির মুখে। তিনি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় শুধুমাত্র শুরু। তাঁর দলের গড় বয়স বেশ কম। কাজেই আগামী দিনে এরকম আরও অনেক সাফল্য অপেক্ষা করছে তাদের জন্য।

ফিরে আসবে ব্য়াগি গ্রিন
বল বিকৃতির সেই কেলেঙ্কারির পর থেক অস্ট্রেলিয়া দলের পারফর্যান্স গ্রাফ ক্রমেই নামছে। কিন্তু কোহলির মতে এতে চিন্তার কিছু নেই। কারণ সব দলই কখনও না কখনও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া দলের এখন সেই পর্ব চলছে। তিনি আশাবাদী আগামী দিনে ফের অতীতের কর্তৃত্বপূর্ণ অস্ট্রেলিয়াকে দেখা যাবে।


Click it and Unblock the Notifications




















