
ইমরান ও মিয়াদাঁদ
আসিফ ইকবাল ও জাহির আব্বাস যুগের শেষে পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন ইমরান খান ও জাভেদ মিয়াদাঁদ। তৎকালীন সময়ে সমীত ওভার ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার ইমরান এবং ব্যাটসম্যান মিয়াদাঁদ পাকিস্তানের এক প্রজন্মকে ক্রিকেটের প্রতি নতুন ভাবে আকর্ষণ করেন। ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস, সৈয়দ আনায়োর, ইনজামাম-উল-হক, আমির সোহেল, মইন খানদের মতো কিংবদন্তী ক্রিকেটাররা, ইমরান-মিয়াদাঁদের ছত্রছায়াতেই বেড়ে উঠেছিলেন।

আক্রম-ওয়াকার-আনোয়ার-সোহেল
ব্যাটিংয়ে বাঁ-হাতি সৈয়দ আনোয়ার, আমির সোহেলের জুটিকে পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বলে মনে করা হয়। অন্যদিকে সুলতান অফ সুইং ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রিভার্স সুইং স্পেশালিস্ট ওয়াকার ইউনুসের জুটিকে ভয় পেতেন না, বিশ্বে এমন কোনো ব্যাটসম্যান ছিলেন না। তাঁদেরই সময় উঠে আসা ইনজামাম-উল-হক, আখিব জাভেদ, মুস্তাক আহমেদ, সাকলাইন মুস্তাকরাও কম ভয়ঙ্কর ছিলেন না।

এরপর
সুলতান অফ সুইং ওয়াসিম আক্রমের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পাকিস্তান ক্রিকেটে জন্ম নেয় শোয়েব আখতার নামে এক ত্রাস। পেস, সুইং, বাউন্সে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল করে দিতে পারদর্শী শোয়েব, আজহার মেহমুদ, আব্দুর রাজ্জাক, মহম্মহ সামি, উমর গুলদের মতো সঙ্গী পেয়ে পরিপূর্ণ হয়েছিলেন।

সঙ্কটে ক্রিকেটে
ইংল্যান্ডে খেলতে গিয়ে বল বিকৃতি এবং বেটিং কাণ্ডে জড়িয়ে, শোয়েব আখতারদের মতো প্রবীণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি মহম্মদ আমির, সলমন বাটদের মতো প্রতিশ্রুতিমান খেলোয়াড়দের ভবিষ্যত শেষ হয় যায়। তারই মধ্যে ২০০৯ সালে পাকিস্তান সফর রত শ্রীলঙ্কা টিম বাসের কাছে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের জন্য আক্রমদের দেশে যে কোনো রকম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আসর আয়োজন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে আইসিসি।

শূণ্যতা
সব মিলিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে তৈরি হওয়া শূণ্য়তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন আরো চওড়া হচ্ছে। আর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সেই শূণ্যতা যেন আরো বেশি করে ফুটে উঠছে।


Click it and Unblock the Notifications



















