ভারতের বিরুদ্ধে মন্থরতম অর্ধশতরান ইনিংস! যারপর তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, তবে কী ফুরিয়ে গেলেন ওয়ার্নার?
পরের ম্যাচেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত শতরান হাঁকিয়ে ব্যাটেই সব সমালোচনার জবাব দিলেন অজি বাঁ-হাতি। সরফরাজদের বিরুদ্ধে ১০৭ রানের (১১১ বলে) মারকাটারি ইনিংস খেলে এদিন অস্ট্রেলিয়ার রানের ভিত গড় দেন ওয়ার্নার। ওপেনিংয়ে ফিঞ্চ-ওয়ার্নার জুটিতে সংগ্রহ ১৪৬ রান। এই ভিতে ইমারত গড়েই ৩০৭ রান তুলল অস্ট্রেলিয়া। টনটনে ম্যাচ জিততে পাকিস্তানের টার্গেট ৩০৮ রান।
কোহলিদের বিরুদ্ধে গত ম্যাচে ৮৪ বল খেলে ৫৬ রান করেছিলেন, স্ট্রাইট রেট ৬৬এর কিছু বেশি। ওয়ার্নারের ব্যাটে রানের ফুলঝুরি না দেখে অনেকেই তীব্র সমালোচনা জুড়েছিল। এমনকী ভারতের কাছে ৩৬ রানে ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে ওয়ার্নারের মন্থর ইনিংসকে কাঠগড়ায়ও তোলা হয়েছিল। এদিন অবশ্য ভক্তদের হতাশ করেননি অজিদের তারকা ওপেনার। মারকাটারি ঢঙে খেলতে গিয়ে একবারের জন্যও বিপজ্জনক শট খেলেননি। ওয়ার্নারের ইনিংস সাজানো ১১টি চার ও ১টি মাত্র ছয় দিয়ে। পাক বোলারদের বিরুদ্ধে স্ট্রাইক রেট ৯৬ প্লাস।
ওয়ার্নার ছাড়া অজিদের হয়ে দামি ইনিংস অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের।৬টি চার ও ৪টি ছয়ে ৮২ রানের ইনিংস ফিঞ্চের। দুই ওপেনার ফিরতে পরে অবশ্য অজিদের উপর চাপ বাড়িয়ে ক্রমাগত উইকেট তুলে নেয় পাকিস্তান। নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারের এক ওভার বাকি থাকতেই অজিদের অল-আউট করে সরফরাজরা। ওয়ার্নার-ফিঞ্চ ছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মিডল অর্ডারে এদিন বলার মতো কেউ রান পাননি। স্মিথ ১০, ম্যাক্সওয়েল ২০ ও মার্স ২৩ ও অ্যালেক্স ক্যারি ২০ রান যোগ করতে পেরেছেন।
ম্যাচের শুরুটা যদি অজিদের হয়, তবে শেষটা অবশ্য পাকিস্তানের। স্লগ ওভারে ৩০ রান খরচ করে অজিদের শেষ পাঁচ উইকেট তুলে নেয় মহম্মদ আমিররা। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩০ রান খরচ করে ৫ উইকেট তুলে নেন মহম্মদ আমির। অন্যদের মধ্যে শাহিন আফ্রিদি দুটি ও হাসান আলি, রিয়াজ - হাফিজ ১টি করে উইকেট পেয়েছেন।