
জোহরির পথেই পাণ্ডিয়া-রাহুল
শনিবার (১১ জানুয়ারি), সিওএ সদস্য ডায়না এডুলজি সুপারিশ করেন তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। শুধু তাই নয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দুজনকে সাসপেন্ড করার সুপারিশও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন এর আগে বিসিসিআই সিইও রাহুল জোহরির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগের তদন্তের সময়েও তাঁকে সাপেন্ড করা হয়েছিল। একই পন্থা নেওয়া হবে পাণ্ডিয়া-রাহুলের ক্ষেত্রেও।

রাই-এর সুপারিশ
বৃহস্পতিবার অপর সিওএ প্রধান বিনোদ রাই সুারিশ করেছিলেন দুই ক্রিকেটারকে দুই ম্য়াচের জন্য নির্বাসিত করার। টিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ছেড়েছিলেন ডায়না এডুলজির হাতে। কারণ ডায়না এই বিষয়ে আইনি পরামর্শ নেওয়ার জন্য সময় চেয়েছিলেন।

কী জানিয়েছেন আইনজ্ঞরা
জানা গিয়েছে বিসিসিআই-এর আইনজ্ঞরা জানিয়েছেন পাণ্ডিয়া ও রাহুল কোনও ম্য়াচ বা ক্রিকেটারকে উদ্দেশ্য় করে খারাপ আচরণ করেননি। তাই বোর্ডের কোড অব কন্ডাক্ট লঙ্ঘন তাঁরা করেননি। কিন্তু এর তাই বলে তাদের শাস্তি দিতে বোর্ডের বাধা নেই। তাঁরা উদাহরণ হিসেবে তুলেছেন স্মিথ-ওয়ার্নারের বল বিকৃতি কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ। আইসিসি কোড অব কন্ডাক্ট অনুযায়ী ১ ম্য়াচের নির্বাসন পেয়েছিলেন স্মিথরা। কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, তাদের ভাবমূর্তি নষ্টের অভিযোগে তাদের ১ বছর নির্বাসিত করে। এই ক্ষেত্রেও রাহুল ও হার্দিকের আচরণে বিসিসিআই-এর মুখ পুড়েছে।

পাশে নেই অধিনায়ক
স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় হার্দিক ও রাহুল পাশে পাননি তাদের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি সাফ জানিয়েছেন, ওই দুজনের মন্তব্য অনুপযুক্ত বলে মনে করে দল এবং এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমের মেজাজের সঙ্গে বেমানান। তবে অভিযুক্ত ক্রিকেটারটা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন বোর্ডের সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় রয়েছে দল।

কী ঘটেছে এর আগে
হার্দিক পাণ্ডিয়া ও কেএল রাহুল বলিউডি পরিচালক করণ জোহরের টক সো কফি উইদ করণ-এ উপস্থিত হয়ে বেশ কিছু নারীবিদ্বেষী, লিঙ্গবিদ্বেষী মন্তব্য করেন। যা নিয়ে জনমানসে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরপর ভারতীয় বোর্ডের তরফেও এই দুজনকে শোকজ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়। হার্দিক এরপর প্রকাশ্যে ক্ষমাও চান। কিন্তু তাদের জবাব সন্তোষজনক নয় বলে বৃহস্পতিবারই মন্তব্য করেছিলেন বিনোদ রাই।


Click it and Unblock the Notifications




















