
ধোনি-গিলি প্রসঙ্গে
তিনি জানিয়েছেন ধোনি ও গিলক্রিস্ট-কে আদর্শ করা মানে এই নয়, যে তাঁদের কে তিনি অনুকরণ করবেন। তাঁদের মতো হয়ে উঠবেন। তাঁদের দেখে শিখতে চান তিনি। কিন্তু তিনের শেষে তিনি নিজের মতোই থাকতে চান। তিনি জানিয়েছেন আরেক ধোনি বা আরেক গিলি নন, তিনি হতে চান ঋষভ পন্থ।

স্লেজিং নিয়ে
তিনি জানিয়েছেন দুই বছর আগে বাবাকে হারানোটা তাঁকে অনেক বদলে দিয়েছে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন দায়িত্ব কাকে বলে। সেই থেকে কেউ তাঁকে উস্কালে তার পাল্টা দিতে ছাড়েন না। দলের প্রতিও তাঁর কর্তব্য রয়েছে। তবে তিনি যা বলসেছেন তা 'কোড অব কন্ডাক্ট'-এর মধ্যে থেকেই বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন তিনি তাঁর মূল্যবোধকে সবসময় মাথায় রাখেন। তিনি জানিয়েছেন এইসব কারণেই হয়তো তাঁর স্লেজিং মানুষের পছন্দ হয়েছে।

প্রসঙ্গ বেবিসিটার
টেস্ট সিরিজে অন্যতম উপভোগ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল পন্থ ও টিম পেইনে উইকেটের পিছন থেকে বাক্য বিনিময়। বিষয়টি এতটাই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল যে মানুষ কখন স্টাম্প মাইক চালু হবে তার অপেক্ষা করা শুরু করে দিয়েছিলেন। সেই বাক্য বিনিময়ে পন্থ একটি নতুন নাম পেয়েছেন 'বেবিসিটার'। পন্থ জানিয়েছেন এই নামকরণ নিয়ে তাঁর মা ও বোন খুশি, তাই তিনিও খুশি।

ব্যাটিং-এর সমালোচনা নিয়ে
তাঁর আক্রমণাত্মক ব্য়াটিং স্টাইল নিয়ে সিডনি টেস্টের আগে বেশ সমালোচনা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, চাইলেই তিনি সাবধানি ব্যাটিং করে অপরাজিত থাকতে পারতেন বেশ কয়েকটি ইনিংসে। কিন্তু তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্য়াট করেছেন। দল যা চেয়েছে তাঁর কাছ থেকে সেটাই করেছেন।

দস্তানা হাতে সমালোচনা নিয়ে
উইকেটরক্ষকের দস্তানা হাতে এখনও পন্থের বেশ কিছু দুর্বলতা রয়েছে বলেও সমালোচনা শোনা যায়। এই প্রসঙ্গে পন্থ জানিয়েছেন দূর থেকে সমালোচনা না করে যদি তাঁকে ভুল গুলো ধরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি উপকৃত হবেন। জানান, তিনি নিজে থেকে বড় বড় নামেদের কাছে যেতে পারেন না। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন অ্য়াডাম গিলক্রিস্ট স্বয়ং তাঁর কাছে এসেছিলেন। তাঁদের সামান্যই কথা হয়েছে কিন্তু তিনি জানেন, তাঁর কোনও দরকার হলে এখন যে কোনও সময় গিলির কাছে ছুটতে পারবেন তিনি।


Click it and Unblock the Notifications




















