
'নাম্বার ফোর' কে?
গত এক বছর ধরে এই প্রশ্নটাই সবচেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের সামনে। মনীশ পাণ্ডে, শ্রেয়স আইয়ার, আম্বাতি রায়ডু, দীনেশ কার্তিক, এমনকী ঋষভ পন্থ ও বিজয় শঙ্করের নামও এই জায়গার জন্য ভাবা হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত সিরিজের আগে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন রায়ডু। কিন্তু, বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজে ৩ ম্যাচে ৩৩ রান করে ভারতের পরিকল্পনা অনেকটাই ঘেঁটে দিয়েছেন তিনি। মঞ্জরেকরের মতো অনেকেই বিজয় শঙ্করকে এখানে খেলানোর কথা বললেও অস্পষ্টতা রয়েছে।

তৃতীয় ওপেনার কে?
টি২০ সিরিজের পরও কেএল রাহুলকে ভারতের তৃতীয় বা ব্যাকআপ ওপেনার হিসেবে ভাবা হচ্ছিল। দৌড়ে ছিলেন পন্থও। ওডিআই সিরিজে এক ম্য়াচে সুযোগ পেয়ে বিশেষ প্রভাবিত করার মতো কিছু করতে পারেননি রাহুল। পন্থও তথৈবচ। রাহুলের পেছনে লগ্নি করার জন্য সময়ের অভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায়নি পৃথ্বি শ, মায়াঙ্ক আগরওয়ালদের। গাভাস্কার তৃতীয় ওপেনার হিসেবে বলেছেন দীনেশ কার্তিকের কথা। দিলীপ বেঙ্গসরকার আবার এই ভূমিকায় দেখতে চান আজিঙ্কা রাহানেকে।

চতুর্থ বিশেষজ্ঞ জোরে বোলার?
সিরিজ শুরুর আগে নির্বাচক প্রধান বলেছিলেন বিশ্বকাপের পরিকল্পনা বদলে দিয়েছে বিজয় শঙ্করের উত্থান। হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্য়াকআপ জোরে বোলার অলরাউন্ডার হিসেবে বিজয় শঙ্করকে ভাবা হচ্ছিল। খলিল আহমেদ, সিদ্ধার্থ কল, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজদের ব্যর্থতায় ভাবা হয়েছিল চতুর্থ বিশেষজ্ঞের জোরে বোলারের বদলে আরেক জোরে বোলার অলরাউন্ডার হিসেবে বিজয়কে নিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু এই সিরিজে স্পষ্ট হয়ে দিয়েছে পঞ্চম বোলারের কাজের জন্য এখনও তৈরি নন বিজয়। মঞ্জরেকরের মতে তিনি ৩ ওভার বল করে দিতে পারবেন।

দ্বিতীয় উইকেটকিপার কে?
দ্বিতীয় উইকেটকিপারের দৌড়ে ছিলেন দীনেশ কার্তিক ও ঋষভ পন্থ। শেষ সিরিজে দীনেশের বদলে পন্থকে দলে প্রাধান্য দেওয়ায় মনে করা হয়েছিল পন্থকেই ভবিষ্যতের লগ্নি হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট দিতে চায় ভারত। কিন্তু সিরিজের দুটি ম্য়াচে বিশেষ করে মোহালিতে উইকেটের পিছনে পন্থেক ভয়াবহ পারফরম্যান্সের পর নির্বাচকরা নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন। হাল্কা ভাবে ব্য়াকআপ উইকেটরক্ষক হিসেবে কেএল রাহুলের নামও রয়েছে।

রবীন্দ্র জাদেজা?
হার্দিক চোট পাওয়ায় সদ্য় সমাপ্ত সিরিজে সুযোগ পেয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। মাঝের ওভারে রান আটকানোর কাজ তিনি ভালভাবেই করেছেন। রাঁচিতে তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন লোয়ার অর্ডারে ব্য়াট হাতে ভরসা দিতে পারেন দলকে। তাঁকে দেশের সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে সার্টিফিকেট দিয়েছেন বিষেন সিং বেদী। তাছাড়া, ফিল্ডিং-এ তিনি থাকা মানে বিপক্ষ দলের বাড়তি সতর্ক থাকা। যুজবেন্দ্র চাহাল উইকেট নিলেও ইদানিং প্রচুর রান দিচ্ছেন। মাঝে মাঝেই ধারাবাহিকতার অভাব ধরা পড়ছে। এই অবস্থায় জাদেজার মতো অলরাউন্ডারকে নিয়ে যাওয়া হবে কি হবে না সেটাও বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।


Click it and Unblock the Notifications




















