
নির্ভরযোগ্য লোয়ার অর্ডারের অভাব
সাম্প্রতিককালে বারত ৫ বিশেষজ্ঞ বোলারে খেলছে। ফলে সাত নম্বরের পরে ব্য়াট করার মতো নির্ভরযোগ্য কেউ থাকছেন না। ভারতের টপ অর্ডার বিশ্বের যে কোনও বোলিং আক্রমণকে ধ্বংস করতে পারে ঠিকই, কিন্তু বড় রান তাড়ার ক্ষেত্রে বা কোনও দিন টপ অর্ডারের সবাই ব্যর্থ হলে লম্বা লেজ কিন্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে।

প্রথম পাঁচে বোলিং বিকল্পের অভাব
অতীতে ভারতীয় দলে পার্টটাইম বোলারের অভাব ছিল না। সচিন-সৌরভ থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে যিবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, সেওয়াগরা - সবাই বলটাও খারাপ করতেন না। কিন্তু বর্তমান দলে, শিখর দাওয়ান ল করতে পারেন না, রোহিত-বিরাট শেষ করবে বল করেছেন, তাঁদেরও বোধহয় মনে নেই। রায়ডুর বল করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই অবস্থায় দলের ভারসাম্য রাখতে এক ব্য়াটসম্য়ান কমিয়ে এক অলরাউন্ডার খেলানো উচিত।

হার্দিক ও কেদারের ব্যাকআপ
বিশ্বকাপের ভারতীয দলে দুই অলরাউন্ডারের জায়গা পাকা - হার্দিক পাণ্ডিয়া ও কেদার যাদব। কিন্তু সমস্য়া হল, হার্দিকের চোট এখনও সাড়েনি। বিশ্বকাপে কতটা সুস্থ থাকতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কেদার যাদবেরও হ্য়ামস্ট্রিং কখন বিদ্রোহ করবে তার নিশ্চয়তা নেই। তাই প্রথম একাদশে যদি নাও খেলানো হয়, তাহলেও এই দুই অনিশ্চিত অলরাউন্ডারের ব্য়াকআপ হিসেবেও আরেক অলরাউন্ডার নিয়ে যাওয়া উচিত।

ধারাবাহিকার অভাব
ভারত এখনও পর্যন্ত চতুর্থ জোরে বোলারের সন্ধানে, খলিল আহমেদ, সিদ্ধার্থ কল, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজকে খেলিয়েছে। উমেশ সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য যতার্থ নন। সিদ্ধার্থ কল বা মহম্মদ সিরাজ বলার মতো কিছু করে উঠতে পারেননি। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা ছিল খলিলের। একে তিনি বাঁ-হাতি, তার উপর বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রভাবিত করার মতো পারফর্মও করেছেন তিনি। কিন্তু একেবারেই ধারাবাহিক নন। এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার মতো জায়গায় আসেননি।

ভালই করেছেন বিকল্পরা
চতুর্থ জোরে বোলারদের ব্যর্থতার পাশাপাশি কিন্তু সুযোগ পেলেই বেশ ভাল পারফর্ম করেছেন ভারতের দুই বিকল্প অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা ও বিজয় শঙ্কর। এশিয়া কাপেস প্রত্যাবর্তনের পর থেকে ভুল কিছু করেননি জাদেজা। প্রতি ম্য়াচে ১০ ওভার বল করতে পারেন। তিনি থাকলে ফিল্ডিং-এ বাড়তি সুবিধা পায় ভারত। পাশাপাশি ব্য়াটেও চাপের মুখে বড় শট মারতে পারেন।
মাঠের বাইরের কারণে হার্দিক না থাকায় নিউজিল্যান্ডে সুযোগ পেয়েছিলেন বিজয় শঙ্কর। তিনি দেখিয়েছেন টপ অর্ডারে ব্যাট করতে তিনি স্বচ্ছন্দ। বল হাতে দারুণ কিছু না করলেও রান আটকাতে পারেন। তাঁর সাফল্যে দল বাছাইয়ের সমীকরণ পাল্টে গিয়েছে, বলেছিলেন নির্বাচক প্রধান।


Click it and Unblock the Notifications




















