বিশ্বকাপে ভারত-পাক মহারণ। রবিবার ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্রার্ফোডে টুর্নামেন্টের সবেচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে নামছে কোহলি-সরফরাজরা।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবশ্য ঈর্ষণীয় জয়ের রেকর্ড ভারতের। পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপে মোট ৬ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ছয় বারের সাক্ষাতে ছয় বারই পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত।
একনজরে বিশ্বকাপে ভারত-পাক হেড টু হেড ফলাফল
১৯৯২ বিশ্বকাপ- সিডনিতে ইমরান খানের পাকিস্তানকে ৪৩ রানে হারিয়েছিল আজহারউদ্দিনের ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৬ রান তুলেছিল ভারতীয় দল। ৫৪ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। জবাবে পাক ওপেনার আমির সোহেল ৬২ রানের দামি ইনিংস খেললেও শ্রীনাথ-কপিলের দুরন্ত বোলিংয়ে ভর করে ৪৩ রানে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারতীয় দল।
১৯৯৬ বিশ্বকাপ- বেঙ্গালুরুতে পাকিস্তানকে ৩৯ রানে হারিয়েছিল আজহারউদ্দিনের ভারত। নভজ্যোত সিং সিধুর ৯৩ রানের ইনিংসে ভর করে ২৮৭ রান তুলেছিল ভারতীয় দল।জবাবে ভেঙ্কটেশ প্রসাদ ও অনিল কুম্বলের ৩ টি করে উইকেটে ভর করে ৩৯ রানে ম্যাচ জিতে ছিল মেন ইন ব্লু।
১৯৯৯ বিশ্বকাপ- ইংল্যান্ডের ম্যাঞ্চেস্টারে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪৭ রানে ম্যাচ জিতেছিল ভারতীয় দল। রাহুল দ্রাবিড়ের ৬১ রান, সচিনের ৪৫ ও আজহারের ৫৯ রানে ভর করে ২২৭ রান তুলেও ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। সৌজন্যে শ্রীনাথ-ভেঙ্কটেশের দুরন্ত বোলিং।ম্যাচে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ভেঙ্কটেশ, ৩ উইকেট পেয়েছিলেন প্রসাদ।
২০০৩ বিশ্বকাপ- সৌরভ জমানায় সেঞ্চুরিয়নে জয় ভারতের। ২৭৩ রান তুলে ও ম্যাচ জিততে পারেনি পাকিস্তান। পাক জার্সিতে শতরান হাঁকিয়েছিলেন সইদ আনোয়ার। জবাবে ভারতের হয়ে সচিন ৯৮ ও দ্রাবিড় ৪৪ রান করেন। অর্ধশতরান করে ম্যাচ ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন যুবরাজ।
২০১১ বিশ্বকাপ- সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ধোনির ভারত। সচিনের ৮৫ রানে ভর করে ২৬০ রান তুলেছিল ভারত। জবাবে জাহির-নেহেরা, মুনাফদের দুরন্ত বোলিংয়ে ভর করে ২৯ রানে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।
২০১৫ বিশ্বকাপ- অ্যাডিলেডে পাক দলকে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল ভারত। কোহলির ১০৭ রানের ইনিংসে ভর করে ৩০০ রান তুলেছিল ভারত। জবাবে মহম্মদ শামির চার উইকেটে ভর করে ৭৬ রানে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত।