
৮টি চার, ১টি ছয়
অনুশীলন ম্যাচের প্রথম ইনিংসে রাহুল প্রথম ঘন্টাতেই মাত্র ৩ রান করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর ব্যাটিং কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার তাঁর দায়িত্ববোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে জানিয়েছিলেন ম্য়ানেজমেন্টের আস্থা আছে রাহুলের উপর। এদিন কিন্তু তাঁর ব্যাট থেকে সুন্দর একটি ৬২ রানের ইনিংস এল। ইনিংসে ৮টি চার ও ১টি ছয় মেরে বুঝিয়ে দিলেন ক্রমশ আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন তিনি।

ওভারে ২৬ তুলে শতরান
প্রথম ইনিংসে ব্য়াট করার সুযোগ পাননি মরলি বিজয়। দ্বিতীয় ইনিংসে প্রথম সুয়োগেই কিন্তু ধুন্ধুমার ব্য়াটিং করলেন তিনি। ১২৯ রান করার পথে মারলেন ১৬টি চার ও ৫টি ছয়। শুধু তাই নয়, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার জেক কার্ডারের এক ওভারে ২৬ রান নিয়ে তিনি শতরানে পৌঁছান। রাহুল ও বিজয়ের ওপেনিং জুটিতে এদিন ১০৯ রান ওঠে।

অস্ট্রেলিয়ার পিচ মানানসই
ম্যাচের পর মুরলি বিজয় জানান, অস্ট্রেলিয়ায় খেলার জনব্য তিনি মুখিয়ে ছিলেন। কারণ এখানে খেলতে তিনি পছন্দ করেন। ক্যাঙ্গারুর দেশের বাউন্সে ভরা পিচ তাঁর খেলার সঙ্গে মানানসই। তিনি বলেন, 'আমি পিছনের পায়ে খেলতে বেশি পছন্দ করি। তাই অস্ট্রেলিয়া পিচ আমার খেলার সঙ্গে ভাল যায়।' তিনি জানান, ভারতের মাটিতে পিচে বেশি বাউন্স থাকে না বলে, অনেক শট খেলার ক্ষমতা থাকলেও, সেগুলি প্রয়োগের সুযোগ থাকে না। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি পিচে সেগুলি মনের সুখে মারতে পারেন তিনি।

ম্যাচের ফল
স্বাভাবিকভাবেই, চারদিনের এই অনুশীলন ম্যাচ অমিমাংসিতভাবেই শেষ হয়েছে। তৃতীয় দিন ভারতীয় বোলারদের হতাশ করেছিলেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা। দিনের শেষে তাদের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৩৫৬। এদিন শেষ পর্যন্ত ৫৪৪ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়েছেন শামি। কিন্তু, তাদের কিন্তু যথেষ্ট সাধারণ মানে নামিয়ে এনেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেট হারিয়ে ২১১ রান তোলে।


Click it and Unblock the Notifications




















