'কফি উইদ করণ' টকশোতে 'নারী-অবমাননাকর' ও 'লিঙ্গবৈষম্যমূলক' মন্তব্যের জেরে এবার মুম্বইয়ের বিখ্যাত খর জিমখানা ক্লাবের সাম্মানিক সদস্য পদও খোয়ালেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। বিসিসিআই আগেই এই ঘটনার জেরে পাণ্ডিয়া ও কেএল রাহুলকে নির্বাসিত করেছে। ২০১৮ সালের অক্টোবরেই এই ক্লাবের সাম্মানিক সদস্যপদ দেওয়া হয়েছিল পাণ্ডিয়াকে।
মঙ্গলবার ভারতের এই বিখ্যাত ক্রিকেট ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি গৌরব কাপাডিয়া জানান, পাণ্ডিয়াকে ৩ বছরের জন্য সাম্মানিক সদস্যপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাবের ম্য়ানেজিং কমিটির সদস্যরা আলোচনায় বসে ঠিক করেন, সাম্প্রতিক বিতর্কের জন্য পাণ্ডিয়ার সেই সম্মান কেড়ে নেওয়া হবে।
এর আগে 'জিলেট' সংস্থা তাদের ব্র্যান্ড অম্বাস্যাডারের আসন থেকেও সরিয়ে দেয় হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। এবার ভারতের অন্যতম ঐতিহ্যশালি ক্রিকেট ক্লাবের সদস্য পদও হারালেন তিনি।
এদিকে সোমবার দেশে ফিরেই বিসিসআই-এর নতুন করে পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন হার্দিক ও রাহুল দুজনেই। এরপরই সিওএ প্রধান বিনোদ রাইয়ের গলায় তাঁদের প্রতি খানিক নরম সুর শোনা যায়।
জানা গিয়েছে পর সিওএ সদস্য ডায়না এডুলজিকে লেখা এক ইমেলে তিনি বলেছেন, এই দুই ক্রিকেটারকে সংশোধন করে, মাঠে ফেরানোই বোর্ডের কর্তব্য। তিনি আরও জানান, অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ফিরিযে আনাতেই তাঁরা যতেষ্ট শিক্ষা পেয়েছেন। তাঁদের সংশোধন করতে হবে মানে কেরিয়ার শেষ করে দেওয়া নয়। কাজেই তাঁদের নিয়ে সিদ্ধান্ত যা নেওয়ার তা অতি দ্রুত গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।