
করোনা ভাইরাস ও লকডাউন
বিশ্বব্যাপী ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লক্ষেরও বেশি মানুষের। ভারতে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৮ হাজার মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৮৮৪ জনের। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান সহ অন্যান্য ক্রিকেট খেলিয়ে দেশেও করোনা ভাইরাসের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

লালার ব্যবহার নিষিদ্ধ হতে পারে
পেসাররা যাতে সুইংয়ে বাড়তি সুবিধে পান, সেই কারণে দলের ক্রিকেটাররা মুখের লালা বা থুতু ব্যবহার করে বলের পালিশ চকচকে করেন। এই দৃশ্যই হয়ত করোনা পরবর্তী সময় আর দেখা যাবে না বলে সূত্রের খবর।

পরিবর্তে কী
কৃত্রিম উপায়ে বল ঘষে চমকানোর অভিযোগে অতীতে বহু ক্রিকেটারকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। করোনা ভাইরাসের পরবর্তী সময়ে সেই রীতিই আইসিসি বৈধ করতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। জানানো হয়েছে, লালার ব্যবহার বন্ধ করতে কৃত্রিম উপায়ে কীভাবে লাল বল চকচকে করা যায়, তা নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে বল পালিশ করার জন্য কৃত্রিম বস্তু ব্যবহার করার অনুমতি দিতে পারে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা।

নতুন নিয়ম
আইসিসি-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নতুন রীতির রোড ম্যাপ তৈরি হতে কিছুটা হলেও সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে বল চমকাতে ক্রিকেটাররা আইসিসি স্বীকৃত যে বস্তুই ব্যবহার করুক, তা ফিল্ড আম্পায়ারদের দেখানো এবং তাঁদের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করতে চলেছে আইসিসি।

একমত নন হোল্ডিং
ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার তথা লেজেন্ড মাইকেল হোল্ডিং এ ব্যাপারে আইসিসি-র সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। তাঁর কথায়, বল বিকৃতির মতো অভ্যাস যেখানে নিষিদ্ধ, সেটাকেই সাজিয়ে-গুছিয়ে পরিবেশন করা অনর্থক। তাছাড়া করোনা ভাইরাসের প্রভাব রুখতে কোনও ম্যাচের আগে ক্রিকেটারদের আইসোলেশনে রাখা হলে লালার ব্যবহারে কোনও বিপদের আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেন না হোল্ডিং।

কী বললেন ওয়াকার
পাকিস্তানের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার তথা লেজেন্ড ওয়াকার ইউনুসের কথায়, লালা দিয়ে বল চকচকে করা ক্রিকেটারদের সহজাত প্রবৃত্তির মধ্যে পড়ে। এই নিয়ম পরিবর্তন করা উচিত নয় বলে মনে করেন ওয়াকার। এভাবে ক্রিকেটারদের হাত বেঁধে দিলে, ক্রিকেটের মান পড়ে যাবে বলেও মনে করেন পাক লেজেন্ড।


Click it and Unblock the Notifications



















