
কীভাবে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড
ফাইনালে নির্ধারিত ৫০ ওভারে দুই দলই ২৪১ তুলেছিল, ফলে ম্যাচ ড্র হয়। এরপর সুপার ওভারেও দুই দল ১৫ রান করে তুলে লড়াই ড্র করে। সেই পর্যন্ত বাউন্ডারি বেশি হাঁকানোর নিয়মে ফাইনাল জিতে প্রথমবারের জন্য বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড। আজব নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে ক্রিকেটদুনিয়া। এবার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন নিউজিল্যান্ডের কোচ গ্যারি স্টিড।

নিয়ম বদল করুক আইসিসি, দাবি কোচ থেকে ক্রিকেট দুনিয়ার
স্টিড বলছেন, 'রুদ্ধশ্বাস এই ফাইনালের শেষটা এমনভাবে হওয়া কাম্য নয়। একশো ওভার ও সুপার ওভার শেষেও দুই দলের মধ্য়ে সেরা বেছে নেওয়া যায়নি। শেষে বাউন্ডারি কাউন্ডে বিশ্বকাপ জয়! নিয়মের বেড়াজালে আমাদের খালি হাতে ফিরতে হল।' কিউয়ি কোচ সঙ্গে আরও জুড়েছেন,' এই ম্যাচ দেখার পর আগামী দিনে আইসিসি নিশ্চয়ই নিময়ের বদল আনবে।

কিউয়িদের বিরুদ্ধে আম্পায়িংয়ের ভুল!
নিয়মের বেড়াজাল ছাড়াও কিউয়িদের বিরুদ্ধে অন্যায় হয়েছে বলে অভিযোগ। ম্যাচে শেষ ওভারের চতুর্থ বলে ওভার থ্রোর কারণে সবমিলিয়ে ৫ এর জায়গায় ৬ রান দেওয়া হয়।
নিয়ম অনুযায়ী ওভার থ্রোয়ের ঘটনায়, ক্রিজে থাকা দুই ব্যাটসম্যান দৌড় দুরান নিলে, থ্রো করার মুহূর্তে ব্যাটসম্যানরা যদি একে অন্যকে ক্রস ওভার না করে সেক্ষেত্রে ওভার থ্রোয়ের চার রান ও দৌড়ের ১ রান কাউন্ট হওয়ার কথা।
সেদিন অবশ্য আম্পায়াররা ভুল করে ঐ ডেলিভারিতে সবমিলিয়ে ইংল্যান্ডকে ৬ রান দিয়েছিল


Click it and Unblock the Notifications



















