
ইংল্যান্ডের শক্তি
গত বিশ্বকাপে মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। সেই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান ইংরেজরা। গত পাঁচ বছরে খোলনলচে পাল্টে নতুন করে তৈরি হয় ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিম। তাঁরা এখন অন্যতম শক্তিশালী দল প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুর্মুশ করেছে।
গত ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠবেন, আশা ইংরেজদের। একই সঙ্গে উইকেটরক্ষ-ব্যাটসম্যান বিধ্বংসী জোস বাটলার, জেসন রয়, জো রুট, জনি বেয়ারস্টোদেরও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে এক্স ফ্যাক্টর হতে পারেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অসাধারণ বোলিং করা জোফ্রা আর্চার, লিয়াম প্ল্যাঙ্কেটরা এই ম্যাচেও কামাল করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ডের দুর্বলতা
বোলিং বিভাগকেই ইংল্য়ান্ডের দুর্বলতম জায়গা হিসেবে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে ব্যাটসম্যানদের ঝকঝকে পারফরম্যান্সের মধ্যেও প্রচুর রান দিতে দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ডের বোলারদের। বিশেষ করে ইংরেজদের স্পিন বিভাগ যথেষ্টই দুর্বল।

পাকিস্তানের শক্তি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ধরাশায়ী হওয়া অধিনায়ক সারফারাজ আহমেদ, ফাকার জামান, ইমাম-উল-হক, বাবর আজাম ও আসিফ আলি নির্ভর পাক ব্যাটিং শক্তিকে এখনও হেলাফেলা করছেন না ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, গত ম্যাচে ৩ উইকেট নেওয়া অভিজ্ঞ মহম্মদ আমির ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ডিপার্টমেন্টে কম্পন ধরাতেই পারেন।

পাকিস্তানের দুর্বলতা
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজের প্রতি ম্যাচেই প্রতিপক্ষ দলকে তিনশোর উপর রান তোলার সুযোগ করে দেন পাক বোলাররা। বোলিং বিভাগে এই ব্যর্থতার পর বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তানের চূড়ান্ত দলে অভিজ্ঞ মহম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজকে অন্তর্ভূক্ত করে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করেন নির্বাচকরা।

বিশ্বকাপে মুখোমুখি
বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ৯ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ৪ বার করে জিতেছে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান।


Click it and Unblock the Notifications



















