
ইরফানের পরিবর্তে আরপি
২০০৮ সালে ভারত সফরে এসেছিল ইংল্যান্ড। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজ শুরু হওয়ার আগে দল নির্বাচনে, মহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়ক হিসেবে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ। অলরাউন্ডার ইরফান পাঠানের পরিবর্তে আরপি সিং-কে নেওয়ার জন্য এমএস, রীতিমতো নির্বাচকদের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন বলে শোনা যায়। এমনকী ধোনি নির্বাচকদের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন বলে শোনা যায়। যদিও সাত ম্যাচের ওই সিরিজের দুই ম্যাচ পর আর টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি আরপি।

দাবি অস্বীকার
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এমন দাবি সর্বৈব মিথ্যা এবং বেশ অপমানজনক বলে জানিয়েছিলেন এমএস।

কী বললেন আরপি
২০০৮-র সেই নির্বাচন বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার আরপি সিং। ঘটনাটি যে সত্যি, তা মেনে নিয়ে, এমএস ধোনি কোনও পক্ষপাত করেননি বলে দাবি করেছেন আরপি। বলেছেন, সেই সময়ে যাকে যোগ্য বলে মনে হয়েছে, তাঁকেই দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন ধোনি। দলের কথা ভেবেই এমএস এই কাজ করেছিলেন বলেও দাবি আরপি সিং-র। ওই সিরিজে মাত্র দুই ম্যাচ খেলার পর তিনি ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়লেও, তাতে নির্বাচন বিতর্ক কোনও প্রভাব ফেলেনি বলে দাবি দেশের প্রাক্তন ফাস্ট বোলারের।

কেন সফল ধোনি
আরপি সিং-র কথায়, নিরপক্ষ ভাবে দল গঠন করতেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। আর এখানেই ধোনি সবার থেকে আলাদা এবং তিনি সফল বলে দাবি প্রাক্তন ফাস্ট বোলারের। তাঁর সঙ্গে যে ধোনির সুসম্পর্ক ছিল, সে কথা স্বীকার করেও আরপি বলেছেন, অধিনায়কের বন্ধু বলে তিনি ভারতীয় দলে বিশেষ সুবিধা পেতেন না। কোনও সিরিজে ব্যর্থ হলে তাঁকে ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্স করে দলে ফিরে আসতে হত বলে জানিয়েছেন আরপি।

সিনিয়রদের সমর্থন
আরপি সিং-র কথায়, এমএস ধোনির মতো এমন কিছু ক্ষমতা রয়েছে, যা অন্য কারও কাছে নেই। ধোনির সেই গুন দলের সিনিয়রদের চোখে পড়েছিল বলে জানিয়েছেন আরপি। সিনিয়রদের সমর্থনেই ধোনি ভারতীয় দলের নেতা হন বলে দাবি প্রাক্তন ফাস্ট বোলারের।


Click it and Unblock the Notifications
ইস্টবেঙ্গলের ভারতীয় ব্রিগেডে আরও এক সংযোজন? অঘটন না হলে জাতীয় দলের এই উইঙ্গার লাল-হলুদ জার্সিতে


















