
সচিনের ব্যাটিং রেকর্ড
ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে ২০০টি টেস্ট ও ৪৬৩টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেছেন সচিন তেন্ডুলকর। দুই ফর্ম্যাটে যথাক্রমে ১৫৯২১ ও ১৮৪২৬ রান করার পাশাপাশি ৫১ ও ৪৯টি শতরানও করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। এমন রেকর্ড বিশ্বের অন্য কোনও ক্রিকেটারের নেই।

বোলার সচিন
ব্যাটের পাশাপাশি বল হাতেও দেশকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাফল্য এনে দিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। টেস্টে ৪৬টি ও ওয়ান ডে-তে ১৫৪টি উইকেটের মালিক লিটল মাস্টার। ২০০১-র ইডেন টেস্ট, ১৯৯৩-র হিরো কাপ সেমিফাইনাল সচিনের অন্যতম সেরা বোলিং স্পেল হিসেবে গণ্য করা হয়।

হাই-প্রেসার ম্যাচ
হাই-প্রেসার ম্যাচের উদাহরণ দিতে গিয়ে ১৯৯৩ সালের হিরো কাপ সেমিফাইনালের প্রসঙ্গ তুলেছেন সচিন তেন্ডুলকর। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে হওয়া ওই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মহম্মদ আজহারউদ্দিনের ভারত। ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৯৫ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল নীল শিবির। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৯০ রান করেছিলেন আজহার। জবাবে ৫০ ওভার পর্যন্ত খেলে মাত্র ২ রানে ম্যাচ হেরেছিল প্রোটিয়া শিবির।
এক ওভারে ৬ রান, সচিনের হাতে বল
হিরো কাপের ওই সেমিফাইনাল জিততে এক ওভারে ৬ রান প্রয়োজন ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। কোনও উপায় না দেখে তরুণ সচিন তেন্ডুলকরের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন। মাথা ঠাণ্ডা রেখে ওই ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়েছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। কেবল নেগেটিভ বল করে বাজিমাত করেছিলেন সচিন।
|
আইসিসি-র টুইটের পাল্টা
মঙ্গলবার সচিন তেন্ডুলকরের ২০ বছর বয়সের এক রেকর্ড প্রকাশ করে আইসিসি। সেই সময় মাত্র ১০৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৪১৩২ রান করেছিলেন সচিন। সাতটি শতরান এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। এর উত্তরে মজার ছলে সচিন লেখেন, সেই সময় তিনি বল করেও সফল হয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে ১৯৯৩-র হিরো কাপ সেমিফাইনালের মতো হাই-প্রেসার ম্যাচের কথা উল্লেখ করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার।


Click it and Unblock the Notifications

সত্যিই কি আইপিএল নিয়ে আর আশা দেখছেন, ভারতে এবছর আর কি ম্যাচ হতে পারে, যা বলেলেন সৌরভ

















