
'নয়া অস্ট্রেলিয়া'-র ফর্ম
বল বিকৃতির ওই ঘটনায় জড়িত থাকায় অস্ট্রেলিয় বোলার ব্যানক্রফ্ট সহ তাদের প্রাক্তন অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ ও সহঅধিনায়ক ডেভিড ওযার্নারকে ১ বছরের জন্য নির্বাসন দেওয়া হয়। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও দলের বাবমীর্তি বদলাতে উদ্যোগী হয়। কিন্তু এর মধ্যে চোখে পড়ার মতো অবনতি হয়েছে অজিদের পারফরম্যান্সের। ওই ঘটার পর তিন ধরণের ক্রিকেট মিলিয়ে মোট ২৪টি ম্যাচ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। তার মধ্যে ১৭টি ম্যাচেই হারতে হয়েছে তাদের।

ক্লার্কের মত
এরপর ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে এই 'মনোভাব বদল'-এর কার্যকারিতা নিয়েইউ প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন অজি অধিনায়ক মাইরকেল ক্লার্ক। তাঁর মতে কুখ্য়াত অজি অতি আগ্রাসী মনোভাব ছাড়া দল একটি ম্য়াচও জিততে পারবে না। তাঁণর মতে অন্য দল তাদের পছন্দ করলো কি করলো না তাতে কিছু যায় আসে না, জিততে থাকলে তাদের প্রতি বাকি ক্রিকেট বিশ্বের সমিহ বজায় থাকবে। সেটাই জরুরি। তিনি বলেছেন অতি আগ্রাসন অস্ট্রেলিয়দের রক্তেই রয়েছে।

মানছেন না ক্যাটিচ
ক্লার্কের একসময়ের সতীর্থ সাইমন ক্যাটিচ আবার তাঁর প্রাক্তন অধিনায়কের মতকে সমর্থন জানাননি। তাঁর মতে ক্লার্ক আসল বিষয়টিই বুঝতে ভুল করছেন। মাঠে চিটিং করতে গিয়ে ধরা পড়ে বাকি ক্রিকেট বিশ্বে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট শ্রদ্ধা-সমিহ সবই হারিয়েছে। আর তার জন্যই আজ এই অবস্থায় এসে পৌঁছতে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া একের পর এক ম্যাচে হারছে। তবে তিনি এও জানিয়েছএন অস্ট্রেলিয়া এখনও তাদের আগ্রাসন দেখাতে পারে, তবে তা ক্রিকেট খেলায়। খেলার বাইরে আচার আচরণে নয়।

বর্তমান অধিনায়কের মত
অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান টেস্ট দলের অধিনায়ক টিম পেইনও ক্লার্কের মতামতের শরিক নন। তিনিও মাঠের মধ্যে দলের আচার আচরণ বদলেরই পক্ষপাতি। তিনি জানিয়েছেন প্রতিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে সিরিজের আগে হাত মেলানো থেকে শুরু করে আম্পায়ারদের সম্মান প্রদর্শন - অর্থাত যা কিছু আগে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের কাছ থেকে আশাই করা হত না, তার সবই দেখা যাবে এই নয়া অস্ট্রেলিয়া দলে।


Click it and Unblock the Notifications




















