
সময়ের বদল আফ্রিদির ব্যাটে
পাকিস্তানি লেজেন্ড ওয়াসিম আক্রমের কথায়, বীরেন্দ্র শেহওয়াগের ক্যারিশমা অনেক পরে প্রত্যক্ষ করেছে ক্রিকেট বিশ্ব। তার আগে, ১৯৯৯ সাল থেকে পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শাহিদ আফ্রিদির হাত ধরে টেস্ট ক্রিকেটের ধারা পরিবর্তন হতে শুরু করে বলে মনে করেন ওয়াসিম আক্রম। তাঁর কথায়, বোলার হিসেবে তিনি জানতেন, যে কোনও বলে আউট হতে পারেন আফ্রিদি। তবে তিনি যতক্ষণ ক্রিজে থাকতেন প্রতিপক্ষের কালঘাম ছুটতো বলেও দাবি করেছেন আক্রম। বলেছেন, লুজ ডেলিভারি পেলে টেস্টেও যে পরপর ছক্কা হাঁকানো যায়, তা আফ্রিদি দেখিয়েছিলেন।

টেস্ট ওপেনার হিসেবে অভিষেক
১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে প্রথমবার টেস্টে ওপেন করতে নেমেছিলেন শাহিদ আফ্রিদি। এক বছর পর চেন্নাই-র চিপক স্টেডিয়ামে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে কেরিয়ারের প্রথম শতরান পেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক। তাঁর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খেই হারিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। ১৪১ রান করেছিলেন আফ্রিদি। টেস্ট জিতেছিল পাকিস্তান।

অথচ আফ্রিদির বাদ পড়তে চলেছিলেন
ভারত সফরের আসা ওই পাকিস্তান দলের অধিনায়ক ছিলেন ওয়াসিম আক্রম। সেই দলে থাকারই কথা ছিল না শাহিদ আফ্রিদির। দল ঘোষণার ঠিক আগে পাকিস্তানের ১৯৯২-র বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক ইমরান খানের সঙ্গে কথা বলেন ওয়াসিম আক্রম। তিনি আফ্রিদিকে ওই দলে নিতে চেয়েছিলেন। সেদিন ওয়াসিমকে সমর্থন করেছিলেন ইমরান। পাক প্রধানমন্ত্রী সেদিন বলেছিলেন, আফ্রিদি ওই সিরিজে পাকিস্তানকে একটি টেস্ট জেতাবেই। সেকথা বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ওয়াসিম আক্রম।

যদিও টেস্টে সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি আফ্রিদি
যদিও পাকিস্তানের হয়ে টেস্টে সেভাবে নজর কাড়তে পারেননি শাহিদ আফ্রিদি। মাত্র ২৭টি ম্যাচ খেলেন তিনি। আফ্রিদির ব্যাট থেকে আসে ৫টি শতরান। অন্যদিকে ভারতের প্রাক্তন ওপেনার বীরেন্দ্র শেহওয়াগ ১০৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৩ শতরান করেন। দুটি ত্রিশতরানও রয়েছে বীরুর ঝুলিতে।


Click it and Unblock the Notifications


















