
লয়েড যুগ
স্যার গারফিল্ড সোবার্সের পর ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে নবজাগরণের অন্যতম হোতা যাকে ধরা হয়, সেই ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম দুটি বিশ্বকাপ জিতে বাকি দেশগুলিকে পথ দেখিয়েছিল। স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসদের মতো কিংবদন্তী পরিবেষ্টিত ১৯৭৫ ও ৭৯ সালের ক্যারিবিয়ান দলকেই সর্বকালের সেরা মনে করেন সেদেশের মানুষ।

লারা যুগ
১৯৯০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান জার্সিতে যখন ব্রায়ান চার্লস লারার অভিষেক হয়, তখন জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। ফার্স্ট ক্লাস ও টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে রেকর্ড ৫০১ ও ৪০০ রানের মালিক ক্রিকেটীয় লেজেন্ড লারার সময় ওয়ান ডে না হলেও টেস্টে উল্লেখযোগ্য ফলাফল করতে সক্ষম হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শিবনারায়ণ চন্দ্রপল, রিচি রিচার্ডসন, কার্ল হুপার, কোর্টনি ওয়াসল, কার্টলে আমব্রোসের মতো খেলোয়াড়দের দক্ষতায় ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ানরা।

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ
২০০৭ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপের ফায়দা তুলবে ব্রায়ান লারার ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দল। কিন্তু সেবারও সুপার এইটের বেশি এগোতে পারেননি ক্যারিবিয়ানরা। ২১ এপ্রিল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সুপার এইটের শেষ ম্যাচ হেরে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন ব্রায়ান লারা।

এরপর
এরপর থেকে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে তৈরি হওয়া শূণ্য়তা ছিল অপরিসীম। কুম্ভের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দুর্গ সামলাচ্ছিলেন ক্রিস গেইলের মতো হাতেগোনা কয়েক জন ক্রিকেটার। কোনো এক অজ্ঞাত কারণে সেদেশে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দক্ষ ক্রিকেটারদের সাপ্লাই লাইন।

অবশেষে
প্রায় দুই দশক পর তরুণ অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দলকে টক্কর দেওয়ার মতো বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। আন্দ্রে রাসেল, নিকোলাস পুরান, শাই হোপ, ক্রিস গেইল, ওশেন থমাস সম্বলিত এবারের ক্যারিবিয়ান দল ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে কী খেল দেখায়, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রিকেট বিশ্ব।


Click it and Unblock the Notifications



















