
পাকিস্তানের শক্তি
অধিনায়ক সারফারাজ আহমেদ, ফাকার জামান, ইমাম-উল-হক, বাবর আজাম ও আসিফ আলি নির্ভর পাক ব্যাটিং শক্তিকে হেলাফেলা করছে না তাবড় দলগুলি। শিশু কন্যার মৃত্য়ু সত্ত্বেও বিশ্বকাপ খেলতে মরিয়া পিঞ্চ হিটার আসিফ আলি ক্রিকেট বিশ্বের হৃদয় কেড়েছে ইতিমধ্য়ে। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক, মহম্মদ হাফিজের পাশাপাশি হারিস সোহেল, ইমাদ ওয়াসিম, শাদাব খানদের মতো তরুণ অল-রাউন্ডারকে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম অস্ত্র হিসেবেই বিবেচনা করে হচ্ছে।

পাকিস্তানের দুর্বলতা
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজের প্রতি ম্যাচেই প্রতিপক্ষ দলকে তিনশোর উপর রান তোলার সুযোগ করে দেন পাক বোলাররা। বোলিং বিভাগে এই ব্যর্থতার পর বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তানের চূড়ান্ত দলে অভিজ্ঞ মহম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজকে অন্তর্ভূক্ত করে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করেন নির্বাচকরা। হাসান আলি, শাহিন আফ্রিদি, মহম্মদ হাসনাইন সমৃদ্ধ পাক বোলিং লাইন আপ কোনো জাদু দেখাতে পারে কিনা, সেদিকে তাকিয়ে সমর্থকরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের শক্তি
ভয়ঙ্কর ক্রিস গেইলের মতোই এখন বিধ্বংসী দেখানো তরুণ এভিন লুইস, শিমরন হেটমের, ডারেন ব্রাভো, নিকোলাস পুরান, শাই হোপরা যে কোনো বোলারের দুঃস্বপ্নের কারণ হতে পারেন। অন্যদিকে, আইপিএলে বোলারদের ত্রাস হয়ে ওঠা অল-রাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অন্যতম সম্পদ। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচেই তার নমুনা পাওয়া গিয়েছে। রাসেলকে যোগ্য সঙ্গত দিতে ফাবিয়ান আলেন, কার্লোস ব্রেথওয়েট, অধিনায়ক জেসন হোল্ডাররাও প্রস্তুত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্বলতা
ধারাবাহিকতার অভাব এবং আশলে নার্স, ওসেন থমাস, শান্নন গ্যাব্রিয়েল, শেলডন কোট্টরেল সম্বলিত বোলিং অ্যাটাকই ক্যারিবিয়ানদের চিন্তার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

পরিসংখ্যান
বিশ্বকাপে এখনও দশ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে ৭ বার এবং পাকিস্তান জিতেছে ৩ বার। সামগ্রিক ভাবেও জয়ের সংখ্যায় পাকিস্তানকে (৬০) টেক্কা দিয়েছে (৭০) ক্যারিবিয়ানরা।


Click it and Unblock the Notifications



















