
ইংল্যান্ডের শক্তি
গত বিশ্বকাপে মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। সেই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান ইংরেজরা। গত পাঁচ বছরে খোলনলচে পাল্টে নতুন করে তৈরি হয় ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিম। তাঁরা এখন অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চলেছে। বিশ্বকাপ শুরুর মুখে পাকিস্তানকে ৪-০ ফলে ওয়ান ডে সিরিজ হারানো ইংল্যান্ডের প্রধান শক্তি তাদের ব্যাটিং।
উইকেটরক্ষ-ব্যাটসম্যান বিধ্বংসী জোস বাটলার, জেসন রয়, জো রুট, জনি বেয়ারস্টো, অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান, জেমস ভিন্সরা ইংরেজ দলের প্রধান অস্ত্র। বেন স্টোকস, মইন আলি, ক্রিস ওকস, টম কুরান, লিয়াম ডাওসন, জোফ্রা আর্চারের মতো অল-রাউন্ডাররাও বিশ্বকাপে কামাল করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ডের দুর্বলতা
বোলিং বিভাগকেই ইংল্য়ান্ডের দুর্বলতম জায়গা হিসেবে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে ব্যাটসম্যানদের ঝকঝকে পারফরম্যান্সের মধ্যেও প্রচুর রান দিতে দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ডের বোলারদের। বিশেষ করে ইংরেজদের স্পিন বিভাগ যথেষ্টই দুর্বল।

দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি
চোটগ্রস্ত হলেও অভিজ্ঞ ডেল স্টেইন যে এখনও বিধ্বংসী, তা তিনি আইপিএলেই বুঝিয়েছেন। ওই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক ইমরান তাহির, দ্বিতীয় কাগিসো রাবাদা বিশ্বকাপেও ঝড় তুলতে পারেন বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। সঙ্গতে লুঙ্গি এনগিদি, তাবারেজ শামসিদের উপস্থিতি দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি বাড়াবে। অল-রাউন্ডার জেপি ডুমিনি, ক্রিস মরিস, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, আনদিলে ফেলুকাওয়া-রাও দারুণ ফর্মে আছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্বলতা
আইপিএলে দারুণ ব্যাট করা দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক ছাড়া অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি, ডেভিড মিলার এবং হাসিম আমলারা অফ ফর্ম চিন্তা বাড়িয়েছে কোচ ওটিস গিবসনের।


Click it and Unblock the Notifications



















