
দেশের হয়ে চুনী গোস্বামীর ফুটবল সাফল্য
ভারতীয় ফুটবলের দিকপালদের মধ্য প্রথম দিকে অবশ্য চুনী গোস্বামীর নাম থাকবে। দেশের হয়ে আট বছর ফুটবল খেলেছেন। ১৯৬২-এর এশিয়ান গেমসে তাঁর অধিনায়কত্বে ভারত সোনা জেতে। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৪-এর এশিয়া কাপে চুনী গোস্বামীর অধিনায়কত্বের মুন্সিয়ানায় ভারতীয় দল রুপো জিতেছিল। ভারতীয় ক্রীড়ার সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়ের সঙ্গে অধিনায়ক চুনীর নাম জড়িত। দেশের হয়ে ৩২ ম্যাচে চুনীর ৯ গোল ছিল। ৫০টির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতকে নেতৃত্বে দিয়েছিলেন তিনি।

মোহনবাগানের ঘরের ছেলে চুনী
ফুটবল ক্লাব কেরিয়ারে দীর্ঘ ১৪ বছর তিনি মোহনবাগানের হয়ে খেলেছেন। পাঁচ মরসুম দলের অধিনায়কত্ব করেন।মোহনবাগানের ছেলে হিসেবে যদি প্রথম সারিতে উঠে আসে সুব্রত-শৈলেনের নাম, তবে চুণী গোস্বামী নির্দ্বিধায় এই তালিকায় শীর্ষ স্থানটি দাবি করেন।

প্রকৃত অর্থের চুনী ছিলেন অলরাউন্ডার, ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটে সমান পারদর্শী
চুনী গোস্বামী আশ্চর্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। ফুটবলের পর ক্রিকেটের ইনিংস শুরু করেছিলেন চুনী। বাংলার হয়ে রঞ্জি ট্রফি ও দলীপ ট্রফিতে খেলেছেন। ক্রিকেটেও বাংলা দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বাংলাকে রঞ্জি ফাইনালে তুলেছিলেন
১৯৭২ সালে চুণী গোস্বামীর নেতৃত্বে বাংলা রঞ্জি ফাইনাল খেলেছিল । ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে তাঁর রেকর্ডও নেহাত খারাপ নয়। ৪৬টি ম্যাচ খেলে ১৫৯২ রান করেছিলেন। বল হাতে তিনি ৪৭ উইকেট নেন। ৭২ সালে অধিনায়ক হিসেবে বাংলাকে রঞ্জি ফাইনালের তোলার আগে ১৯৬৯-এর রঞ্জিতে ক্রিকেটার হিসেবে ফাইনালের দু-ইনিংসে চুনী ৯৬ এবং ৮৪ রান করেছিলেন ।


Click it and Unblock the Notifications
সুবিমল ওরফে চুনীর দুর্দান্ত বল কন্ট্রোল ও ড্রিবলিং দেখে মুগ্ধ হতেন বিদেশিরাও
















