
বলের নড়াচড়া
'হিটম্য়ান' রোহিত শর্মা, 'গব্বর' শিখর ধাওয়ান ও 'কিং' বিরাট কোহলি - ভারতের এই টপ অর্ডার নিঃসন্দেহে এই সময় বিশ্বসেরা। কিন্তু যখনই দেখা গিয়েছে বল সুইং করছে তখনই এই অসীম শক্তিশালী টপ অর্ডারকেই নড়বড় করতে দেখা গিয়েছে। বিশ্বকাপের সময় ইংল্যান্ডে পাটা পিচ হয়ার সম্ভাবনাই বেশি তবে কয়েকটি পিচে কিন্তু বল নড়তেই পারে।

অভিজ্ঞতার অভাব
এই অত্যন্ত শক্তিশালী টপ অর্ডারই গত কয়েক বছরে ভারতের রান করার অধিকাংশ দায়িত্ব সামলেছে। তাদের পরাক্রমে মিডল অর্ডার খুব বেশি সময় ক্রিজে কাটানোর সুযোগ পায়নি। মাঝে মধ্যে যখন টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়েছে, তখন আচমকা পরীক্ষার মুখে মিডল অর্ডারকে বেশ জং পড়া মনে হয়েছে। ক্রিজে মিডল অর্ডারের বেশি সময় কাটানোর অভিজ্ঞতার অভাব কিন্তু বিশ্বকাপে বড় হয়ে দেখা দিতে পরে।

চোট-আঘাত
একটানা খেলার ধকল থেকে ক্রিকেটারদের রক্ষা করতে বিসিসিআই গত বেশ কয়েক সিরিজ ধরে বিশ্বকাপের দলের সম্ভাব্য প্রত্যেককে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলাচ্ছে। কিন্তু তারপরেও তাদের ধকল নিয়ে উদ্বেগ যাচ্ছে না। এশিয়া কাপে চোট পেয়েছিলেন হার্দিক, নিউজিল্যান্ডে হ্যামস্ট্রিং-এর চোটে বসতে হয়েছিল ধোনিকে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে দীর্ঘ সফর সেড়ে এসে অল্প বিরতি নিয়েই তারা নেমে পড়ছে ঘরের মাঠে ফের অজিদের মোকাবিলায়। তারপর আবার চলবে আইপিএল। এই টি২০ মেগা প্রতিয়োগিতা শেষ হতে না হতেই খেলতে হবে বিশ্বকাপ। কাজেই কোনও ক্রিকেটারদের চোট-আঘাতের কহলে পড়লে আশ্চর্যের কিছু থাকবে না।

আত্মতুষ্টি
গত কয়েক বছর ধরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিশ্বের প্রায় সর্বত্র, সব দলকেই হারিয়েছে ভারত। এই সাফল্যই কিন্তু বিপদের কারণ হতে পারে। ভারতীয় ক্রিকেটাররা আত্মতুষ্টির শিকার হতে পারেন। বিশ্বকাপে ক্রিকেটারদের মধ্যে একটু গা'ছাড়া মনোভাব আসতে পারে।

বদলে যাওয়া প্রতিপক্ষ
বিশ্বকাপ মানে সারা ক্রিকেট বিশ্বের সামনে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ। তাই প্রতিটি ক্রিকেটার, প্রতিটি দল এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে থাকেন। ভারত এতদিন অন্যান্য প্রতিযোগিতায় যাদেরকে হেলায় হারিয়েছে তারাই নিজেদের অন্যস্তরে তুলে নিয়ে গিয়ে চমকে দিতে পারে। এই ধরণের চমকের জন্যও কিন্তু তৈরি থাকতে হবে দলকে।


Click it and Unblock the Notifications




















