
শিমরন হেটমায়ার (রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু)
এবারই প্রথম আইপিএল খেলতে এলেও গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভারত সফরের দৌলতে হেটমায়ার ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের কাছে নতুন নাম নন। তাঁর স্ট্রোক নেওয়ার ক্ষমতা অতীতের ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং কিংবদন্তীদের কথা মনে করায়। এই বছর ৪.২ কোটি টাকা খরচ করে তাঁকে দলে নিয়েছে বেঙ্গালুরু। তাদের এমনিতেই শক্তিশালী ব্য়াটিং অর্ডার হেটমায়ারের উপস্থিতিতে আরও সম্বৃদ্ধ হতে পারে।

জনি বেয়ারস্টো (সানরাইজার্স হায়দরাবাদ)
এই ইংরেজ ক্রিকেটারের অভিজ্ঞতার অভাব নেই। ভারতে বেশ কয়েকবার সফর করার ফলে এখানকার পিচ পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা আছে। দুর্দান্ত পাওয়ার হিটিং ক্ষমতার জন্যই তাঁকে দলে নিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তবে আইপিএল-এর শেষএর দিকে বিশ্বকাপের শিবিরের জন্য তাঁকে নাও পাওয়া যেতে পারে। তবে যে টুকু থাকবেন, তাতেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ২.২ কোটি টাকা উসুল হয়ে যেতে পারে।

স্যাম কুরান (কিংস ইলেভেন পঞ্জাব)
গত বছর ভারতের ইংল্যান্ড সফরে একার হাতেই টেস্ট ম্য়াচ ঘুরিয়ে ছিলেন। তারপর থেকে স্য়ান কুরান ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের পরিচিত নাম। একদিকে বাঁহাতি জোরে বোলার হিসেবে তাঁর হাতে দুর্দান্ত ইয়র্কার রয়েছে, আবার নিচের দিকে ব্যাট হাতে মারতেও পারেন। এমনি এমনি কিংস ইলেভেন তাঁর পিছনে ৭.২ কোটি টাকা খরচ করেনি।

অ্যাশটন টার্নার (রাজস্থান রয়্যালস)
আইপিএল নিলামে অ্যাশটন টার্নারকে যখন মাত্র ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে দলে নিয়েছিল রাজস্থান, তখন ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকরা অধিকাংশই চিনতেনই না টার্নারকে। বিবিএল যাঁরা দেখেন, তাঁরা টা্নারের বড় শট মারার ক্ষমতা জানতেন। তবে সম্প্রতি ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া একদিনের সিরিজে মোহালিতে তাঁর পরিচয় পেয়ে গিয়েছেন ভারতীয়রা। তাঁর ফিল্ডিং-ও কিন্তু দুর্দান্ত।

জেসন বেহরেনডর্ফ (মুম্বই ইন্ডিয়ানস)
গত মরসুমেই যদিও মুম্বই ১.৫ কোটি টাকা দিয়ে তাঁকে দলে নিয়েছিলে, কিন্তু পিঠের চোটের জন্য টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যান। তবু এই বছর তাঁকে দলে ধরে রেখেছে মুম্বই। বিবিএল-এ তিনি ৪৩ ম্যাচে ৫৪টি উইকেট নিয়েছেন। ওভার প্রতি রান দিয়েছেন ৬.৭৮ করে। ইনিংসের শুরুতে তিনি দারুণ সুইং আদায় করতে পারেন। বুমরার সঙ্গে জুটিতে কিন্তু তিনি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন।


Click it and Unblock the Notifications



















