
কুলদীপ যাদব (কলকাতা নাইট রাইডার্স)
আইপিএল ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর খেলে ফেলার পরও তাবড় ব্য়াটসম্য়ানদের চায়নাম্য়ান কুলদীপের বল পড়তে সমস্যায় পড়তে হয়। গত আইপিএল মরসুমে কুলদাীপ ১৬ ম্য়াচে ১৮ উইকেট নিলেও ওভার প্রতি রান দিয়েছিলেন ৮। এই বছর সেদিকেও উন্নতি করবেন তিনি বলে আশা করছে নাইট শিবির।

রশিদ খান (সানরাইজার্স হায়দরাবাদ)
আফগান স্পিনার একই রকম বোলিং অ্যাকশনে অনেক রকম বল করতে পারেন। তাঁ হাত থেকে তাঁর বলের বৈটিত্রকে পড়ে নেওয়া সহজ নয়। ত আইপিএল-এ সর্বোচ্চ উইকট শিকারীদের একজন ছিলেন রশিদ। এবারেও সানরাইজার্সের সাফল্য অনেকটাই তাঁর উপর নির্ভরশীল।

মুজিব উর রহমান (কিংস ইলেভেন পঞ্জাব)
আরেক আফগান স্পিনারের স্বপ্নের অভিষেক হয়েছিল গতবারের আইপিএল-এ। ১১ ম্য়াচে ওবার প্রতি ৭-এর কম রান দিয়ে তিনি ১৪ উইকেট নিয়েছিলেন। তাঁর হাতে দুর্দান্ত গুগলি রয়েছে। অধিনায়ক আর অশ্বিনের সঙ্গে অফস্পিন জোড়া ফলা এইবার আরও ধারালো হয়ে উঠতে পারে।

বরুণ চক্রবর্তী (কিংস ইলেভেন পঞ্জাব)
আইপিএল নিলামে ২০ লক্ষ বেস-প্রাইস থাকা বরুণ চক্রবর্তী দর পেয়েছিলেন ৮.৪ কোটি। কাজেই আসন্ন আইপিএল তাঁর উপরেই থাকবে স্পটলাইট। তার ঝুলিতে অন্তত ৬ রকম বৈচিত্রের ডেলিভারি আছে - অফব্রেক, লেগব্রেক, ফ্লিপার, টপ স্পিন, ক্যারাম বল ও গুগলি। তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগে তিনি ১০ ম্য়াচে ওভার প্রতি মাত্র ৪.৭ রান দিয়ে ৯ উইকেট নিয়েছেন। আইপিএল-এ একেবারে নতুন বরুণকে খেলতে কিন্তু সমস্যায় পড়তে পারেন ব্য়াটসম্য়ানরা।

ওয়াশিংটন সুন্দর
আরসিবি দলে চাহালের সঙ্গে দ্বিতীয় স্পিনার হিসেবে খেলবেন ওয়াসিংটন সুন্দর। ১৯ বছরের এই ডানহাতি স্পিনারকে ভারেতর স্পিন ভবিষ্যত হিসেবে ধরা হয়। ২০১৭ সালে আইপিএল-এ ১১ ম্য়াচে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ওভার প্রতি রান দেন ৬.১৬। কিন্তু গত বছর প্রচুর রান দিয়ে ৭ ম্য়াচে মাত্র ৪ উইকেট পাওয়ার পর প্রথম একাদশের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। এই বছর সেই ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলতে চান তিনি।


Click it and Unblock the Notifications



















