হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত পাকিস্তানের কিংবদন্তি লেগ স্পিনার আব্দুল কাদির। শেষ হয়ে গেল একটা অধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হলে, তড়িঘড়ি তাঁকে লাহোর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পথেই অবস্থা সংকটজনক হয়ে ওঠে। হাসপাতালে চিকিৎসকরা সবরকম চেষ্টা করলেও পাক কিংবদন্তিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। কাদেরের মৃত্যুতে বিশ্বক্রিকেটে শোকের ছায়া।
বিচিত্র বোলিং অ্যাকশনের জন্য পরিচিত ছিলেন কাদির। ১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক। পাকিস্তানের অন্যতম সফল স্পিনার ছিলেন তিনি। তাঁর টপ স্পিন বোলিং বিখ্যাত ছিল। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত পাক দলের হয়ে ক্রিকেটে খেলেছেন। টেস্টে ৬৭ ম্যাচে সংগ্রহ ২৩৬টি উইকেট, অন্যদিকে ১০৪টি ওডিআই ম্যাচে সংগ্রহ ছিল ১৩২ উইকেটে। ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম দাপুটে স্পিনার হিসেবে সুন্যাম ছিল কাদিরের।
پی سی بی کا عبدالقادر کی وفات پر اظہار افسوس
— Pakistan Cricket (@TheRealPCB) September 6, 2019
پاکستان کرکٹ بورڈ لیجنڈری لیگ اسپنر عبدالقادر کے انتقال پر دکھ کا اظہار اور اہلخانہ سے تعزیت کرتا ہے۔ https://t.co/aZsneajPDc
শুধু উপমহাদেশেই নয়, বিদেশের মাটিতে বল হাতে ভেল্কি দেখিয়েছিলেন কাদির। ১৯৮৭ সালে এক ইনিংসে ৯ উইকেট তুলে নিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কাদিরের এই রেকর্ড আজ পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনও বোলার ভাঙতে পারেননি।
দেশের হয়ে ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন কাদির। ১৯৮৭ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে একা হাতে শেষ করে দিয়েছিলেন কাদির। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ধারাভাষ্যকার হিসেবে পাওয়া গিয়েছে তাঁকে।
কিংবদন্তি স্পিনারকে হারানোয় পাক ক্রিকেটমহলে শোকের ছায়া নেমেছে। কাদিরের আকস্মিক চলে যাওয়াতে ওয়াসিম আক্রম বলেছেন, 'আমরা ক্রিকেটের এক প্রতিষ্ঠানকে হারালাম। পাক ক্রিকেটে কাদিরের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। '