
আইপিএলের শুরুর সেদিন
২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম এডিশনে ডেকান চার্জার্সের হয়ে ৩৬.৭২ গড়ে ৪০৪ রান করেছিলেন রোহিত শর্মা। দল সফল না হলেও তিনি ওই আইপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে কমলা টুপি জিতেছিলেন। রোহিতের দক্ষতা ও ম্যাচ রিডিংয়ের ক্ষমতা দেখে, পরের মরশুম অর্থাৎ ২০০৯ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার আইপিএলে তাঁকে অধিনায়ক অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ডেপুটি বানিয়ে দেয় ডেকান চার্জার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। সেবার কাপ জিতেছিল হায়দরাবাদের দলটি। আইপিএলের এই এডিশনেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের শেষ ওভারে ২৬ রান তুলে বিশ্ব ক্রিকেটে বিস্ময় প্রতিভা হিসেবে উঠে এসেছিলেন।

ঘরের ছেলে ঘরে
২০১১ সালে রোহিত শর্মাকে কিনে নেয়, তাঁরই শহরের দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএলের সেই এডিশনে হিটম্যান বিশেষ কেরামতি দেখাতে না পারলেও, ২০১২ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জীবনের প্রথম আইপিএল সেঞ্চুরি করেছিলেন রোহিত। সে বছরের ঝকঝকে ব্যাটিংয়ের পারফরম্যান্সের দৌলতে পরের বছর অর্থাৎ ২০১৩-র আইপিএলে রোহিতকেই অধিনায়ক বাছে নেয় মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট।

অধিনায়ক রোহিত
ভারতীয় ক্রিকেটের মক্কা হিসেবে খ্যাত সচীন তেন্ডুলকর, সুনীল গাভাস্করের শহরের দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের আইপিএলে লাগাতার পাঁচ বছরের হতাশাজনক পারফরম্যান্স সমর্থকদের মন ভেঙে দিয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই পাহাড় প্রমাণ চাপের মধ্যে বন্দুকের নলের সামনে যখন তরুণ রোহিতকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তখন তাঁর সমালোচকরা মুচকি হেসেছিলেন। এক কথায় নিজের জেদে সেবারই মহেন্দ্র সিং ধোনি নামক সুনামি ও চেন্নাই সুপার কিংস নামক সিংহকে হারিয়ে, ইডেন গার্ডেন্সে মুম্বইয়ের হাতে কাপ তুলে দিয়েছিলেন রোহিত। অসাধারণ ব্যাটিংও করেছিলেন।

২০১৫, ২০১৭, ২০১৯
২০১৫ সালে আরো একবার মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে মুম্বইয়ের অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয়বার আইপিএল জেতেন রোহিত শর্মা। ২০১৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনিরই নেতৃত্বাধীন রাইজিং পুনে জায়েন্টকে আইপিএলের ফাইনালে হারিয়েছিল রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন রোহিত ও তাঁর মুম্বই গড়লেন এক অনন্য নজির।

যতবার ফাইনালে ততবার কাপ
এখনও পর্যন্ত পাঁচ বার আইপিএল ফাইনাল খেলেছেন রোহিত শর্মা। পাঁচ বারই তিনি কাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। যা রেকর্ড বুকে নথিভূক্ত হয়েছে।


Click it and Unblock the Notifications


















