
বিস্ফোরক শোয়েব আখতার
'রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেস' বলেছেন, 'পাকিস্তান দলে যখন খেলেছি,তখন দেখেছি চারপাশে সাধারণের আড়ালে সব দুনীর্তিগ্রস্ত ফিক্সাররা ঘুরে বেড়াচ্ছে । আমার সময়ে দলে গড়াপেটার দুনীর্তি সংক্রমণে পরিণত হয়েছিল। প্রায় সব ম্যাচের গড়াপেটা হত!'
সঙ্গে শোয়েব জুড়েছেন, 'সেকারণেই ১১ নয়, গড়াপেটা থেকে নিজেকে দূরে রাখব বলে আমাকে ২১ জনের বিরুদ্ধে লড়াই করে যেতে হত। প্রতিপক্ষের ১১-র সঙ্গে নিজের দলের দশজনের বিরুদ্ধেও লড়তে হত। দলের মধ্যে কে ফিক্সার আপনি বুঝতেই পারবেন না।

পাকিস্তান ক্রিকেটে গড়াপেটা কেলেঙ্কারি নতুন নয়
প্রসঙ্গত পাকিস্তান ক্রিকেটে গড়াপেটা কেলেঙ্কারি নতুন নয়।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডস টেস্টে গড়াপেটা করে (২০১০সাল) মহম্মদ আসিফ, সলমন বাট ও মহম্মদ আমির ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শোয়েব বলেছেন, 'দলে গড়াপেটা এতটাই স্বাভাবিক পর্যায় চলে গিয়েছিল যে, আসিফ তো একবার আমায় বলেই ফেলেছিল কীভাবে ও গড়াপেটা করেছে। এরপরই আমি আমির ও আসিফকে ওদের প্রতিভা সম্পর্কে সচেতন করেছিলাম। গড়াপেটায় কালো জগৎ থেকে নিজেদের দূরে রেখে ক্রিকেটে ফোকাস করতে বলেছিলাম। '

গড়াপেটায় জড়িয়ে নির্বাসন, এরপর কামব্যাকে দেশকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দিয়েছেন আমির
উল্লেখ্য লর্ডসে গড়াপেটায় জড়িয়ে পাঁচ বছর নির্বাসিত হয়েছিলেন আমির। এরপর কঠিন পথ পার করে ক্রিকেটে ফেরেন। ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের পর তাঁর সবচেয়ে বড় সাফল্য ২০১৭ সালে দেশকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দেওয়া। ভারতের বিরুদ্ধে ফাইনালে রোহিত-ধাওয়ান ও বিরাটের তিন মূল্যবান উইকেট ছিটকে দিয়ে প্রথমবারের জন্য দেশকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতান আমির।


Click it and Unblock the Notifications




















