
মোতেরা স্টেডিয়াম
১৯৮২-৮৩ মরশুমে গুজরাতের আহমেদাবাদে সর্দার প্যাটেল স্টেডিয়াম বা মোতেরা স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়। শুরুতে স্টেডিয়ামে দর্শক আসন সংখ্যা ছিল ৫৪ হাজার। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ২০১১-র ক্রিকেট বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ হয়েছিল এই মাঠে। ১৯৮৬-৮৭ মরশুমে মোতেরাতেই টেস্টে ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছিলেন ভারতীয় লেজেন্ড সুনীল গাভাসকর। ৪৩২ উইকেট নিয়ে স্যার রিচার্ড হ্যাডলিকে টপকে যান কপিল দেব।

স্টেডিয়ামের নির্মাতা
মাত্র আট মাস ১৩ দিনে আহমেদাবাদে সর্দার প্যাটেল বা মোতেরা স্টেডিয়াম তৈরি হয়। যাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও বুদ্ধিতে স্টেডিয়ামটি সফলভাবে তৈরি হওয়া শুধু নয়, ৩২ বছর একইভাবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল, তিনি ম্রুগেশ জয়কৃষ্ণ। বিসিসিআই ও গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সহ-সভাপতি কার্যত একার ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টাতেই এই স্টেডিয়াম তৈরি করেছিলেন বলে শোনা যায়। সেই ভীতের ওপরই যে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

৩৮ বছর আগে
ঠিক যে স্থানে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ৩৮ বছর আগে সেই ৬৩ একর জমি পরিত্যক্ত ভূমি ছিল বলে জানিয়েছেন শিল্পপতি ম্রুগেশ জয়কৃষ্ণ। গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মাধবসিন সোলাঙ্কির কাছে ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ওই জমিটি চেয়ে আবেদন করেন জয়কৃষ্ণ। বিরোধীদের সমালোচনা সত্ত্বেও গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই-র প্রাক্তন সহ-সভাপতি। তবে স্টেডিয়ামটি তৈরি করতে তিনি খুব কম সময় পেয়েছিলেন। গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও তৎকালীন ক্রিকেটারদের সহযোগিতায় তিনি মোতেরা স্টেডিয়াম তৈরি করেছিলেন বলে জানিয়েছেন জয়কৃষ্ণ।

আমন্ত্রণ পাননি
বিসিসিআই-র প্রাক্তন সহ-সভাপতি ম্রুগেশ জয়কৃষ্ণের হাতে তৈরি মোতেরা এখন বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এ মাঠের দর্শক ধারণ ক্ষমতা এক লক্ষ দশ হাজার। সোমবার আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে স্টেডিয়ামটির উদ্বোধন হয়। অথচ সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণই পাননি ম্রুগেশ জয়কৃষ্ণ। যদিও এতে তাঁর মনে কোনও খেদ নেই। বরং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসাই করেছেন বিসিসিআই-র প্রাক্তন সহ সভাপতি।


Click it and Unblock the Notifications



















