
স্বপ্নের দেড় মাস
খলিল জানিয়েছেন গত দেড়টা মাস তাঁর মনে হচ্ছে যেন স্বপ্নের জগতে আছেন। প্রত্যেক ক্রিকেটারের মতোই তাঁর স্বপ্ন ছিল দাতীয় দলের হয়ে ক্রিকেট খেলা। এশিয়া কাপে সেই স্বপ্নের শুরু হওয়ার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ভারতকে উইকেট নিয়ে ম্য়াচ জিতিয়েছেন এই ২০ বছরের তরুণ।

রোহিত ও বিরাটের লালন
খলিল জানিয়েছেন, এশিয়া কাপে রোহিত শর্মা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলি তাঁর দুই ক্যাপ্টেনই দলে নতুন ঢোকার জড়তা কাটাতে সাহায্য করেছেন। অল্প দিনের মধ্যেই ড্রেসিংরুমে তিনি স্বচ্ছন্দ হয়ে উঠেছেন। বল হাতে তাঁকে নিজেকে প্রকাশ করার স্বাধীনতা দিয়েছেন তাঁর দুই অধিনায়ক। এমনকী ফিল্ডিং সাজানোর বিষয়েও কিছু চাপিয়ে দেননি এই সিনিয়ররা।

এমন নেতাদের পাওয়া আশীর্বাদের মতো
খলিল জানিয়েছেন, এক তরুণ ক্রিকেটারের কাছে তাঁর সিনিয়রদের আস্থা বিরাট ব্য়াপার। সিনিয়ররা, বিশেষ করে অধিনায়ক ভরসা রেখেছিলেন বলেই নিজের ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাস জন্মেছে তাঁর। তআই রোহিত ও কোহলি দুজনকেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

ধোনিভাই থাকলে চোখ বন্ধ করে বল করা যায়
সিনিয়রদের নিয়ে কথা অবশ্যই ধোনিকে বাদ দিয়ে শেষ হয় না। খলিলের মুখেও তাঁর সম্পর্কে অসম্ভব শ্রদ্ধা ঝড়ে পড়েছে। তিনি জানিয়েছএন উইকেটে পিছনে 'ধোনি-ভাই' থাকা মানে একজন বোলার, বাকি সব কিছু ছেড়ে শুধু সঠিক জায়গায় বল রাখার বিষযে মনোসংযোগ করতে পারে। কারণ উইকেটের পিছনে মাহির বিশ্বস্ত হাত থাকা মানে কোনও ক্যাচ বা স্টাম্পিং মিস হওয়ার সম্ভাবনাই নেই। এমনকী ধোনি উইকেটের পিছনে থাকলে তিনি স্লিপ ফিল্ডারও একটু দূরে রাখেন বলে জানিয়েছেন এই তরুণ পেসার।

ফিটনেস গুরু
তবে ভারতীয় দলে ঢোকার পর থেকে বোলিং কোচ ভরত অরুণের বিভিন্ন পরামর্শের সঙ্গে সঙ্গে এক নতুন ফিটনেস গুরু পেয়েছএন খলিল। তিনি আর কেউ নন বিরাট কোহলি। খলিল বিস্মিত হয়ে গিয়েছেন কোহলির প্রাক ম্যাচ ফিটনেস শৃঙ্খলা ও প্রস্ততি দেখে। তিনি লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছেন। বুঝে গিয়েছেন আন্তর্জাতিক স্তরে জোরে বোলার হিসেবে দীর্ঘদিন টিকে থাকতে গেলে তাঁকে কোহলির স্তরে উন্নিত করতে হবে ফিটনেসকে।


Click it and Unblock the Notifications




















