
ইয়াসির শাহ (পাকিস্তান, ৩৩ টেস্ট)
গত কয়েক বছরে পাকিস্তানের হয়ে টেস্টে ইনিংসের পর ইনিংস গাদা গাদা উইকেট শিকার করেছএন এই ৩২ বছর বয়সী লেগ স্পিনার। বিশেষ করে আবু ধাবি ও শারজায়, যেই দুই মাঠকে আপাতত পাকিস্তান তাদের হোম গ্রাউ্ড হিসাবে ব্যবহার করে, সেখানকার পিচ তাঁর বোলিং-এর জন্য একেবারে মানানসই। ১০০ টেস্ট উইকেট দখলের ক্ষেত্রেও তিনি দ্রুততমদের তালিকায় ২ নম্বরে আছেন।

ক্লেরি গ্রিমেট (অস্ট্রেলিয়া, ৩৬ টেস্ট)
গ্রিমেটের জন্ম নিউজিল্যান্ডে হলেও তিনি টেস্ট খেলেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। মোট ৩৭ টি টেস্টে তিনি ২১৬টি উইকেট নিয়েছিলেন। দলে তাঁর জুড়িদার ছিলেন আরেক লেগ স্পিনার বিল ও'রায়লি। তিনি ২৭ টেস্টে ১৪৪ উইকেট নিয়েছিলেন। তখনকার দিনে অস্ট্রেলিয়া দলের এই জোড়া স্পিন ফলা প্রতিপক্ষ ব্যটসম্য়ানদের ত্রাস ছিল।

আর অশ্বিন (ভারত, ৩৭ টেস্ট)
একটুর জন্য গ্রিমেটের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি আর আশ্বিন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে তিনি ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ভারতের হয়ে ৬৪ টেস্টে ৩৩৬টি উইকেট দখল করেছেন।

ডেনিস লিলি (অস্ট্রেলিয়া) ও ওয়াকার ইউনিস (পাকিস্তান, ৩৮ টেস্ট)
দুজনেই নিজ নিজ দেশে জোরে বোলার হিসাবে কিংবদন্তি হয়ে আছেন। তাঁরা দুজনেই ২০০ উইকেট দখল করেছিলেন ৩৮টি টেস্ট খেলে। লিলি শেষ পর্যন্ত ৭০ টেস্টে ৩৫৫ উইকেট পান, আর ইউনিস ৮৭ টেস্ট খেলে দখল করেছিলেন ৩৭৩ উইকেট।

ডেল স্টেইন (দক্ষিণ আফ্রিকা, ৩৯ টেস্ট)
দারুণ গতি, দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ, পিচ থেকে সুইং ও বাউন্স আদায় করে নেওয়ার ক্ষমতা - একজন জোরে বোলারের যা যা গুণ থাকতে পারে, তার সবই রয়েছে ডেল স্টেইনের তুনে। চোট কাটিয়ে তিনি এখন স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ৮৮ টেস্টে ৪২১টি উইকেট নিয়েছেন।


Click it and Unblock the Notifications




















