
বড় হল অ্যাকোস্টার না থাকা
কার্ড সমস্যায় এদিন ছিলেন না লাল-হলুদ রক্ষণের প্রধান ভরসা বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টা। তাঁর বদলে এশিয়া কাপের পর প্রথম ম্যাচ খেলতে নামেন সালাম রঞ্জন সিং। প্রথম থেকেই তাঁর খেলায় ম্যাচ না খেলার প্রভাব ধরা পড়ছিল। একেবারে শুরুতেই ক্রোমার পায়ে বল তুলে দিয়েছিলেন। সেই যাত্রায় চুলোভা রক্ষা করলেও ২৩ মিনিটের মাথায় অনসাইডে থাকা ডোডোজকে তিনি ফাঁকায় বল ছেড়ে দিলেন। সামনবে শুধু ছিলেন রক্ষিত দাগার। গোল করতে ভুল করেননি ডোডোজ।

দাগারের বড় ভুল ও রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত
বিরতির আগে ইস্টবেঙ্গল সেভাবে আক্রমণই করতে পারেনি। বরং আরও একবার লাল-হলুদের জালে গোলে বল জড়িয়ে দেয় আইজল। রক্ষিত দাগার ভুল করে বল সামনে ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই বল ধরে সুযোগ-সন্ধানী ক্রোমা গোলে শট নেন। কিন্তু রেফারি সেই গোল বাতিল করে গোসলকিপারকে বাধা দেওয়ার অপরাধে ক্রোমাকেই কার্ড দেখান।

ফিরল ছন্দ, এল গোল
বিরতির পরই ধীরে ধীরে খেলায় ফেরে লাল-হলুদ। শুরুতেই দবি জাস্টিনের শট অল্পের জন্য গোলের পাশের জালে লাগে। এরপর মেনেন্দেজ সামাদ আর টোনি ডোভালে-কে নামাতেই খেলা ধরে নেয় মশাল-বাহিনী। ডানপ্রান্ত থেকে ওবারল্যাপে এসেছিলেন সামাদ। তাঁকে লক্ষ্য করে বল বাড়ান ডোভালে। লাল-হলুদের রাইটব্যাক সেখান থেকে ক্রস ভাসান আইজল বক্সে। সেই বল ধরতে পারেননি আইজল গোলরক্ষক। ওমোলোজার পাশ থেকে ক্ষিপ্র গতিতে বেরিয়ে এসে হেডে গোল করে সমতা ফেরান লাল হলুদের মেক্সিকান স্ট্রাইকার এস্কেদা।

১০ জনের আইজল, তাও এল না গোল
সমতা ফেরার ৫ মিনিটের মধ্যেই ১০ জন হয়ে যায় আইজল। তাদের রক্ষণভাগের প্রধান ভরসা ওমোলোজা জাস্টিনকে বিশ্রী ফাউল করে লাল-কার্ড দেখেন। ১০ জনের আইজলকে পেয়ে বাকি সময় স্বাভাহিকভাবেই দারুণভাবে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। জবি একটি সিটার মিস করেন, তাঁর একটি শট পোস্টে প্রতিহত হয়। এমনকী ডিডিকার বেশ কিছু দূরপাল্লার শটও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।


Click it and Unblock the Notifications



















