
অভিষেকেই গোল চেঞ্চোর
গোল করার সমস্যা মেটাতে বেঙ্গালুরু এফসি থেকে চেঞ্চো-কে লোনে নিয়েছে নেরোকা। অভিষেক ম্যাচে একেবারে ৩ মিনিটের মাথাতেই তিনি গোল করে যান। কর্নার থেকে বক্সে বল ভাসিয়েছিলেন কাতসুমি। সেই বল ধরতে গিয়ে ভুল করেন লাল-হলুদ গোলরক্ষক দাগার। ক্লিয়ার করতে গিয়ে তা চেঞ্চোর পায়ে তুলে দিয়েছিলেন রালতে। হাল্কা টোকায় গোল করে যান তিনি।

ললিত প্রতিরোধ
এরপর আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা জমে ওঠে। বিরতির আগেই বেশ কয়েকবার সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু প্রায় প্রতি ক্ষেত্রেই জাল আর বলের মধ্যে বাধা হয়ে ওঠেন নেরোকার গোলরক্ষক ললিত থাপা। বক্সের মধ্যে থেকেও গোল করতে পারেননি ডোভাল। বিরতির ঠিক আগে একটি ব্যাকভলি নিয়েছিলেন জাস্টিন। তাও আটকে দেন ললিত।

তিন বদলে কিস্তিমাত
সম্ভবত জয়ী দলের সমন্ব. ভাঙবেন না বলেই সুস্থ হওয়া সত্ত্বেও এদিনও এস্কেদাকে বাইরে রেখেই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন মেনেন্দেজ। কিন্তু বিরতির পর প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই লাল-হলুদ কোচ একে একে ডোভাল, রালতে ও কমলপ্রিতকে তুলে নামান যথাক্রমে এস্কেদজা, ব্র্যান্ডও ও সামাদ-কে। আর এই তিন বদলেই ঘুরে যায় খেলা।

রক্ষণাত্মক মানসিকতার মাসুল
সেই সঙ্গে প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকার সুবাদে দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলতে শুরু করে নেরোকা। এর পুরো সুযোগ মশালবাহিনী নিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের হাতে এখন আক্রমণের অনেক বিকল্প, ক্রমেই তারা নেরোকা বক্সে ভিড় বাড়াতে শুরু করে। আর এই চাপেই স্প্যানিশ মেক্সিকান যুগলবন্দীতে সমতা ফেরায় লাল-হলুদ। হাইমের একেবারে মাপা ক্রসে মাতা ছুঁইয়ে ম্যাচে তাঁর প্রথম গোল করে যান এস্কেদা।

ঝড় তুলে উঠল ফসল
সমতা ফিরতেই আক্রমণে একেবারে ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। তিন পয়েন্টের জন্য মরিয়া ইস্টবেঙ্গ আক্রমণের মুখে একেবারে দিশা হারা হয়ে যায় নেরোকা রক্ষণ। তবে জয়ের গোল আসছিল না। তা আসে একেবারে নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে, ম্য়াচের ৮৬ মিনিটে। নেরোকা বক্সের প্রান্তে সামাদকে বল দিয়েছিলেন ব্র্যান্ডন। তিনি একটি বাঁক খাওয়া ক্রস তোলেন বক্সের মধ্যে। দ্বিতীয় হেড গোলে ৩ পয়েন্ট সুনিশ্চিত করে দেন এস্কেদা।


Click it and Unblock the Notifications



















