
পুরনো দলকে প্লাজার ধাক্কা
ম্য়াচের ৩ মিনিটের মাথাতেই পুরনো দল ইস্টবেঙ্গলের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন উইলিস প্লাজা। সিসের লো ক্রস আটকাতে ব্যর্থ হন বোরহা গোমেজ, সেই সুযোগে রক্ষিত দাগারের পাশ দিয়ে বল গোলে ঠেলেন প্লাজা।

হাইমের দুর্দান্ত গোল
প্রথমার্থে গোল শোধ দেওয়ার বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল লাল-বলুদ। কিন্তু অবশেষে ৩৫ মিনিটের মাথায় হাইমে কোলাদোর দুপ্রান্ত গোলে ম্য়াচের সমতা ফেরে। লালরিনডিকার একটি বাঁক খাওয়া কর্নার থেকে, প্রথম সুযোগেই বক্সের মধ্য থেকে ভলি নিয়েছিলেন এই স্প্যানিশ। চার্চিল গোলরক্ষক ভাস্করন হাত বাড়িয়েও বলের নাগাল পাননি। বড় ম্য়াচে অভিষেক হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্য়াচেই কিন্তু গোল পেয়ে গেলেন তিনি। বিরতিতে ফলাফল ছিল ১-১।

সুযোগ নষ্ট
দ্বিতীয়ার্ধেও প্রাধান্য ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। তবে দুই দলই বেশ কয়েকটি গোলের সহজ সুযোগ হারায়। প্রথমে ৫১ তম মিনিটে লালদানমাওয়িয়ার জন্য একটি লম্বা বল বাড়িয়েছিলেন গোমেজ। চার্চিল রক্ষণ সেই বল ক্লিয়ার করতে গেলে বল হঠাত করেই বল পেয়ে গিয়েছিলেন জবি জাস্টিন। কিন্তু বলটি তিনি বার পোস্টের উপর দিয়ে উড়িয়ে দেন।
এর ৫ মিনিট পরই, লাল-হুদ বক্সের ঠিক বাইরেই সিসের জন্য গোলের বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন প্লাজা। কিন্তু সিসের জোরালো শট তিন কাঠির মধ্যে থাকেনি।
এর এক মিনিট পর আবার লালদানমাওয়িয়ার শট লাগে চার্চি গোলের সাইড নেটে।

ফ্রিকিক থেকে জয়ের গোল
শেষ পর্যন্ত ৭৯তম মিনিটে লালরিনডিকা রালতের অসাধারণ ফ্রিকিকে লাল-হলুদের জয়ের গোল আসে।

শেষ মিনিটে ১০ জন
৬৯ মিনিটে লালদানমাওয়িয়াকে তুলে বালি গগনদীপকে মাঠে নামিয়েছিলেন মেনেন্দেজ। প্রথমে ৮৭ তম মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। এর ঠিক তিন মিনিটের মাথাতেই ফের একটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। অবশ্য ততক্ষণে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে ফেলেছিল ইস্টবেঙ্গল।


Click it and Unblock the Notifications



















