
সম্মতি পত্রে সই
বিসিসিআইয়ের তৈরি একশো পাতার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওর বা এসওপি-তে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের আবহে ঘরোয়া ক্রিকেট চালু করতে হলে খেলোয়াড়দের ঝুঁকি নিতেই হবে। নিজ নিজ রাজ্যে নির্ধারিত প্রস্তুতি শিবিরে অংশ নেওয়ার আগে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটারদের বিপদ সংক্রান্ত সম্মতি পত্রে সই করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।

রাজ্যের দায়িত্ব
করোনা ভাইরাসের আবহে ঘরোয়া ক্রিকেট চালু করার ক্ষেত্রে ক্রিকেটার, কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফ সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে নিতে হবে বলে বিসিসিআইয়ের তৈরি একশো পাতার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওর বা এসওপি-তে বলা হয়েছে। অনুশীলন কিংবা ম্যাচ চলাকালীন ষাটোর্ধ্ব কোনও ব্যক্তি যার ডায়বেটিস, ফুসফুস-জনিত বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাঁকে মাঠ, শিবির কিংবা ড্রেসিং রুমে ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলে বোর্ডের নির্দেশ।

স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে
অনুশীলন শিবির থেকে মাঠে যাওয়া কিংবা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ম্যাচ খেলতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিসিসিআইয়ের এসওপি-তে। সমাজিক দূরত্ব মেনে চলার পাশাপাশি প্রত্যেক ক্রিকেটারের এন ৯৫ মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে বিসিসিআই।

ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য পর্যালোচনা
কোন রাজ্যে প্রস্তুতি শিবির শুরু হওয়ার আগে সেখানে অংশ নিতে চলা ক্রিকেটারদের গত দুই সপ্তাহের স্বাস্থ্য পর্যালেচনা করা হবে। ম্যাচ চলাকালীন ক্রিকেটারদের একদিন অন্তর প্রতিদিন দুই বার করো কোভিড-১৯ টেস্ট করা হবে। কোনও ক্রিকেটারের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সংক্রান্ত লক্ষণ নজরে পড়লে তাঁর পিসিআর টেস্ট করা হবে।


Click it and Unblock the Notifications
আমিরশাহীতে আইপিএল, করোনার আবহে কোন কোন গুরু সিদ্ধান্ত বিসিসিআইয়ের

















