প্রায় মাস খানেক হতে চলল বিভিন্ন অক্রিকেটীয় কারণে সংবাদ শিরোনামে মহম্মদ শামি। একদিন আগেই বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে তার বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপরেই বোর্ডের চুক্তিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে তাঁকে। বাধা নেই আইপিএল খেলাতেও।
এরপরেই মহম্মদ শামি জানিয়েছেন বিসিসিআইয়ের গ্রেড বি চুক্তিতে ফিরতে পেরে তিনি অনেক স্বস্তিতে। জাহানের আনা একের পর এক অভিযোগে যখন তাঁর কেরিয়ারে ফুলস্টপ পরে যাওয়ার মুখে, ঠিক তখনই তিনি জানিয়েছেন এই ৩ কোটি টাকার বোর্ডের বার্ষিক চুক্তি তাঁকে ফের খেলায় ফিরিয়ে এনেছে।
শামি জানিয়েছেন, 'শেষ কয়েক সপ্তাহ ধরে মানসিক ভাবে অস্থির ও অস্বস্তিজনক অবস্থায় কেটেছে। আমি কখনও এই ধরণের জিনিসের মধ্যে দিয়ে যায়নি। সবচেয়ে বড় কথা আমার দেশের প্রতি দায়বদ্ধতাকে এটা আঘাত করছিল। সেটাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছিল। আমি কখনই এমন জিনিস করতে পারিনা। '
এছাড়াও শামি জানিয়েছেন, 'হ্যাঁ আমি এখন স্বস্তিতে আমি ভারতীয় দলে ফেরার বিষয়ে আশাবাদী। যখনই পারব তখনই পারফর্ম করব।' আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের জার্সি গায়ে খেলায় আর কোনও বাধা নেই বোর্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর। তবে ফের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে পড়ার সুযোগ শামির আসবে বেঙ্গালুরুতে জুনে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর।
দিল্লি-র জার্সি গায়ে আইপিএলে খেলা নিয়ে আশাবাদী শামি। তিনি জানিয়েছেন , 'ডেয়ারডেভিলসের জার্সি গায়ে ভালো পারফর্ম করার দিকে তাকিয়ে রয়েছি। আমি ক্রিকেট মাঠে ফিরতে উন্মুখ হয়ে আছি। পুরোদমে আমি ট্রেনিং শুরু করে দেব। বিসিসিআইকে ধন্যবাদ এত তাড়াতাড়ি তদন্ত শুরু করে দেব। '
শামি আরও বলেছেন , 'এটা হয়েছে কারণ যে অভিযোগ উঠেছিল তার পিছনে কোনও সত্যি নেই। আমাকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ ছিল। বিসিসিআইয়ের চুক্তি নিয়ে আমি কখনই চিন্তায় ছিলাম না। আমি জনাতাম তদন্ত হলে সত্যি সামনে আসবেই। '
বিসিসিআই তাঁকে ক্লিনচিট দিলেও এবার তাঁর স্ত্রী হাসিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বহু অভিযোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হচ্ছেন। তবে এসব নিয়ে ভাবনা নেই মহম্মদ শামির। শামি জানিয়েছেন,'আমি আইনি পদক্ষেপগুলি নিয়ে ভাবছি না। এখন আমার ফোকাসে শুধু ক্রিকেট। আমার বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রয়েছে। যেমন বিসিসিআইয়ের তদন্তে সত্যির জয় হয়েছে। ঠিক তেমনি এখানেও সত্যির জয় হয়েছে। '