১৬ নয় ২১ বছর বয়সেই অভিষেক হয়েছিল তাঁর। সেক্ষেত্রে ১৯৯৬ সালে নাইরোবিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তাঁর করা ৩৭ বলে শতরান আর রেকর্ড হিসেবে গণ্য নাও হতে পারে, তা জেনেও জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের আসল বয়স প্রকাশ করলেন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। তাঁর আত্মজীবনী গেম চেঞ্জার বইতে কোনো রাখঢাক না রেখেই পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক জানিয়েছেন, ১৯৮০ নয় ১৯৭৫-এ তাঁর জন্ম।
সেদিনের কথা ভোলেনি ক্রিকেট বিশ্ব। সচিন তেন্ডুলকর যা পারেননি, খাতায়-কলমে মাত্র ১৬ বছর বয়সে সেই ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন শাহিদ আফ্রিদি। তারপর কেটে গেছে ২৩টি বছর। এখনও পাকিস্তান ক্রিকেট দলে অপরিহার্য শাহিদ। মাঠে নেমে মুগুরের মতো ব্যাট ঘোরাতেও সমান পারদর্শী। সেক্ষেত্রে বয়স কত আফ্রিদির, এই প্রশ্ন বেশকিছু বছর ধরেই ছিল টক অফ দ্য ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড। তৈরি হয়েছিল না মজার কিস্সাও। আত্মজীবনী গেম চেঞ্জারে অবশেষে আফ্রিদি নিজেই নিজের আসল বয়স জানিয়ে সব জল্পনার অবসান ঘটালেন।
অন্যদিকে ওই বইতেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীরকে তাঁর আচরণ নিয়ে তুলোধোনাও করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। মাঠে তাঁর এবং তাঁর সতীর্থদের সঙ্গে একাধিকবার ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া গম্ভীরকে ক্রিকেটের লজ্জা বলেও আক্রমণ করেছেন শাহিদ আফ্রিদি। গৌতম নিজেকে ব্র্যাডম্যান ও বন্ডের সংমিশ্রণ মনে করলেও আদতে তাঁর কোনো ব্যক্তিত্ব নেই বলেও ওই বইতে উল্লেখ করেছেন শাহিদ আফ্রিদি।