
সেলিম মালিক
সম্প্রতি ১৯ বছর পর, দেশের ক্রিকেটকে কলঙ্কিত করার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন পাকিস্তানের সেলিম মালিক। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৯৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্ন ও মার্ক ওয়াকে ঘুষ নিয়ে বাজে খেলার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ২০০০ সালে দোষী প্রমাণিত হয়েছিলেন। এরপর পাক ক্রিকেটে সেলিমকে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে চিরনির্বাসন তুলে নেওয়া হয়।

আতা-উর-রেহমান
জুয়াড়িদের সাথে লেনদেনের জন্য পাক ক্রিকেট থেকে আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছিলেন আতা-উর-রেহমান। ২০০০ সালে দোষী প্রমাণিত হন। চিরনির্বাসিত করার পর ২০০৬ সালে তা তুলে নেওয়া হয়েছিল।

মহম্মদ আমির
২০১০ সালে লর্ডসে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড টেস্টে ঘটা ক্রিকেট কেলেঙ্কারি দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ২০১০ সালের আগস্টে লর্ডস টেস্টে অর্থের বিনিময়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নো বল করার অপরাধে মহম্মদ আমির দোষী প্রমাণিত হয়েছিলেন। ক্রিকেট থেকে তাঁর ৫ বছরের নির্বাসন হয়েছিল। জেলেও যেতে হয়। এরপর ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন করে পাকিস্তানের হয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জিতেছেন। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলেছেন।

মহম্মদ আসিফ
২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে আসিফও নো বলে করেছিলেন। আমিরের সঙ্গে তিনিও একই অপরাধে দোষী ছিলেন। তাঁর ৭ বছর নির্বাসন হয়েছিল।

সালমান বাট
পাকিস্তানের তৎকালীন অধিনায়ক সালমান বাট অপরাধের মাথা ছিলেন। তিনি বুকিদের পরামর্শ মতো মহম্মদ আমির ও মহম্মদ আসিফকে দিয়ে নো বল করিয়েছিলেন। এই অপরাধে পাক ক্রিকেট থেকে বাটকে ১০ বছরের নির্বাসন করা হয়েছিল।


Click it and Unblock the Notifications



















