লড়াইটা দেখেছিল গোটা বিশ্ব। এগারোটা মেয়ে বিশ্বমঞ্চে যা করে দেখিয়েছে তাতে গর্বিত ভারত। কিন্তু একটা দুঃখ তো থাকবেই। ইতিহাসের এত কাছে পৌঁছেও বিশ্বকাপ ছোঁওয়া হল না। মিতালি -ঝুলন ছাড়া দলের অধিকাংশ সদস্যেরই এটা প্রথম বিশ্বকাপ অভিযান। সেমিফাইনালের নায়ক হরমনপ্রীত কউর জানিয়েছেন ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল গোটা দল।
ম্যাচ হারের পর মাঠেই হতাশ মুখে বসেছিলেন ঝুলনরা, ধরা পড়েছিল টিভি ক্যামেরায়। ড্রেসিংরুমে ফিরে চোখের জল আটকাতে পারেননি মিতালি রাজ থেকে হরমনপ্রীত কৌর। হরমনপ্রীত বলেছেন,'ম্যাচের পরে ড্রেসিংরুমে ফিরে আমরা সবাই কেঁদে ফেলেছিলাম। এমনকী আমাদের সাপোর্ট স্টাফ যাঁরা ছিলেন, তাঁরাও কাঁদছিলেন। আমরা সবাই বক্তব্য পেশ করি। তার পরে ঠিক করা হয়, হোটেলে ফিরে আর কান্নাকাটি করা চলবে না।'
হোটেলে ফিরে ভারতীয় ক্রিকেটারেরা একসঙ্গে সবাই ডিনার সারেন। হরমনপ্রীত আরও বলেন, 'আমার টিমকে নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। আমরা এই মুহূর্তে সেরা ক্রিকেট খেলছি। আমার জীবনের সেরা মুহূর্তও এটা। আমরা অনেক হেরেছি, এ বার শুধু জিততে চাই। জিততে হবে আমাদের।'
তবে হরমনপ্রীত কউরও ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ধামাকা পারফরমেন্স, ফাইনালেও লড়াকু ৫১ তাঁকে ক্রিকেটার হিসেবে আরও পরিণত করেছে। হরমনের মতে ফাইনালের ৯ রানের ঘাটতিটা একটা বিশাল বড় পার্থক্য তৈরি করে দিল। চ্যাম্পিয়ন না হয়ে হতে হল রানার্স। ভারতীয় সহ অধিনায়ক অবশ্য এঁর পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন স্রাবসোলের দুরন্ত বোলিংকে।
পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের দুরন্ত সমর্থন দেখে খুশি হরমনপ্রীত কউর। তিনি দেশবাসীকে এরজন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হরমনপ্রীত আরও বলেছেন, 'মানুষ যেন নিজেদের মেয়েদের খেলতে পাঠায়, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেটে খুব বেশি তরুণ প্রতিভা উঠে আসছেন না। মেয়েদের মোটিভেট করুন খেলার জন্য। দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কিন্তু দারুণ গর্বের।'