
বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর কারণে ক্রিকেট মাঠে তালা ঝুলেছে। ১৩ মার্চ শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে প্রথম ওডিআই ম্যাচটি হওয়ার পর করোনার প্রকোপে ক্রিকেট মাঠে আর বল গড়ায়নি। ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্য ধর্মাশালায় প্রথম ওডিআই বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়। পরের দুই ম্যাচ করোনা উদ্বেগে ফাঁকা স্টেডিয়ামে হবে বলে জানানো হলেও সেই নিয়ে কোনও ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। দুই ম্যাচই বাতিল হয়। এরপর এক মাসের উপর কেটে গিয়েছে। এভাবে দিনের পর দিন ক্রিকেট বন্ধে মন খারাপ সচিনের। রাত পেরোলেই ৪৭ বছর বয়সে পা দেবেন ক্রিকেটঈশ্বর। জন্মদিনের আগের রাতে এবার ফাঁকা মাঠে ক্রিকেট হওয়া উচিত কিনা সেই নিয়ে নিজের মতামত জানালেন সচিন।
লিটল মাস্টার বলেন, 'ক্রিকেট প্রতিযোগিতামূলক খেলা। ক্রিকেটার হিসেবে প্রত্যেকেই ভরা গ্যালারির সামনে পারফর্ম্যান্স করতে চায়। একটা দারুণ শট খেললে ফ্যানেরা যখন গ্যালারিতে চিৎকার করে সেটা তৃপ্তি দেয়। সেকারণেই ফাঁকা মাঠে খেলা ক্রিকেটারদের কাছে যন্ত্রণাদায়ক।'
এখানেই না থেমে সচিন আরও বলেছেন, ''বোলারের ক্ষেত্রেও গ্যালারি উৎসাহ দেয়।বোলারের এক একটা ডেলিভারির সামনে ব্যাটসম্যান প্রতিহত হলে দর্শকরা আওয়াজে তাতিয়ে দেন। দারুণ একটা বাউন্সার দিলে গ্যালারি আওয়াজ তোলে। বোলার বল করতে ছুটে এলে গ্যালারি শব্দব্রহ্মে ফেটে পরে। এরপর ব্যাটসম্যান আউট হলে গ্যালারিতে গর্জন ওঠে। বিপক্ষের ব্যাটসম্যানের উপর এভাবেই গ্যালারি স্নায়ুর চাপ তৈরি করে দেয়। খেলার মাঠে দর্শকরাই ভগবান। দর্শকরা হোম টিমের টুয়েলভ ম্যান। গ্যালারির দর্শক ছাড়া ক্রিকেট আমি ভাবতেই পারি না।'