
ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালে ভারতের জয়
২০০২ ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ভারতকে ৩২৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ইংল্যান্ড। জবাবে ভারতীয় অধিনায়ক তথা ওপেনার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও বীরেন্দ্র শেহওয়াগ শুরুটা ভালো করলেও, দলের মিডিল অর্ডার পুরোপুরি ধসে যায়। সেখানে থেকে ম্যাচ ভারতের দিকে টেনে নিয়ে যায় তরুণ যুবরাজ সিং ও মহম্মদ কাইফের ১২১ রানের পার্টনারশিপ। ৬৩ বলে ৬৯ রান করে আউট হয়েছিলেন যুবি। ৮৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন মহম্মদ কাইফ।

সৌরভের জার্সি ওড়ানো
ওই সিরিজের আগে ভারত সফরে এসেছিল ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। ছয় ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়েছিল সফরকারীরা। কিন্তু ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ হেরে যায় ভারত। ম্যাচ শেষের পর মাঠে জার্সি খুলে উড়িয়েছিলেন ব্রিটিশ অল রাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফ। এর বদলা নিতে মুখিয়ে ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার সেই সময়ের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনাল জেতার সঙ্গে সঙ্গেই লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি উড়িয়ে ফ্লিন্টফকে উত্তর দিয়েছিলেন মহারাজ।

সেদিন জার্সি উড়িয়েছিলেন যুবরাজও
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একা নন, লর্ডসের ব্যালকনিতে সেদিন নাকি জার্সি উড়িয়েছিলেন যুবরাজ সিং-ও। ভারতের প্রাক্তন অল রাউন্ডার নিজেই এই কথা জানিয়েছেন। তবে শীত আটকাতে জার্সির নিচে তিনি আরও একটি সাদা টি-শার্ট পরে থাকায় তাঁর কেরামতি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি বলে জানিয়েছেন যুবি।

নিজের ভুলে শতরান হাতছাড়া
সেদিন মহম্মদ কাইফ তাঁর জীবনের সেরা ইনিংস খেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন যুবরাজ সিং। লর্ডসের ওই ইনিংস তাঁর জীবনেরও অন্যতম সেরা। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে একসঙ্গে খেলার সৌজন্যে কাইফের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া দুর্দান্ত হয়েছিল বলে জানিয়েছেন যুবি। যদি তিনি আর একটু বুদ্ধি খরচ করতেন, তবে সেদিন তিনি শতরান করতে পারতেন বলে মনে করেন যুবরাজ সিং।


Click it and Unblock the Notifications



















