
এআইএফএফ-এর নোটিশ
মঙ্গলবার এআইএফএফ-এর শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে একটি নোটিশ জারি করা হয়। তাতে বলা হয়, জামশেদপুর এফসির খেলোয়াড় গৌরব মুখিকে আগামী শনিবার (২৪ নভেম্বর) 'পার্সোনাল হিয়ারিং' বা ব্যাক্তিগত শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে এও বলা হয়, 'ফেয়ার প্লে'-র কথা মাথায় রেখে যতদিন পর্যন্ত এই বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, ততদিন গৌরব মুখিকে এআইএফএফ-এর সব ইভেন্ট থেকে সাসপেন্ড করা হল।

ছিটকে গেলেন মুখি
বুধবার (২১ নভেম্বর) -ই মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি কমপ্লেক্সে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে ম্য়াচ রয়েছে জামশেদপুর এফসির। কিন্তু এই দিনই এআইএফএফ নোটিশ জারি করায় সেই ম্যাচে খেলতে পারবেন না গৌরব। এই মরসুমে কিন্তু জামশেদপুরের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন তিনি।

কনিষ্ঠতম গোলদাতা
বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচেই প্রথমবার জামশেদপুরের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন মুখি। তাও পরিবর্ত হিসাবে। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই গোল করে রীতিমতো তারকা হয়ে যান তিনি। প্রথম দলেও জায়গা করে নেন। তিনি গোস করার পরই ধারাভাষ্য়কার থেকে শুরু করে আইএসএল-এর সংশ্লিষ্ট সবাই বলতে থাকেন তিনিই কনিষ্ঠতম গোলদাতা। কারণ আইএসএল-এ তিনি তাঁর বয়স নথিভুক্ত করিয়েছেন ষোল বছর হিসাবে।

তাহলে কেন বিতর্ক?
বিতর্কের মূল কারণ তাঁর চেহারা, মুখের পাকানো গোঁফ দেখে কোনও ভাবেই তাঁকে ষোল বছরের বলে মনে হয় না। এই থেকেই প্রথম সন্দেহ শুরু হয়েছিল। তার পরে তাঁর ফুটবল জীবনের ইতিহাস ঘেটে দেখা .য়ায় সন্দেহটাই সত্যি।

কি সেই ইতিহাস?
আজ থেকে ৩ বছর আগে এআইএফএফ আয়োজিত জাতীয় সাব জুনিয়র (অনুর্ধ্ব-১৫) ন্যাশনাল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-এ খেলতে গিয়ে ঝাড়খণ্ডের আরও ৪ ফুটবারের সঙ্গে বয়স ভাঁড়িয়ে খেলার অভিযোগে ধরা পড়েছিলেন গৌরব মুখি। সেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে গোয়াকে ৮-৩ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ঝাড়খণ্ড। কিন্তু কেলেঙ্কারিটা ধরা পড়ার পর ঝাড়খণ্ডের জেতা ট্রফি ফিরিয়ে নেওয়া হয়। অর্থাত ২০১৫-তে মুখির বয়স ১৫-এর বেশি ছিল। কাজেই, ২০১৮-তে নিশ্চিতভাবে তিনি ১৬ বছর বয়সী হতে পারেন না।


Click it and Unblock the Notifications



















