কলকাতা দলে ছিল না ফর্মে থাকা কোনও ইতিবাচক স্ট্রাইকার, কিন্তু তাঁর কোচিংয়ের অন্যান্য দলের মতো এটিকের রক্ষণও একেবারে জমাট করে গড়েছেন স্টিভ কপেল। ফলে সম্ভবত এবারের আইএসএল মরসুমের সবচেয়ে ঘুমপাড়ানি ম্যাচের সাক্ষি থাকল মুম্বই ফুটবল এরিনা। দুই পক্ষই গোটা ম্যাচে হাতে গোনা সুযোগ পেল। তৈরি হল না কোনও ম্য়াজিক মুহূর্তও। মুম্বইয়ের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়ে কলকাতায় ফিরছে এটিকে।
ম্যাচের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি ঘটনা - মুম্বইয়ের সহকারি কোচকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া ও হেড দিতে গিয়ে একই সঙ্গে এটিকের গার্সন ভিয়েইরা ও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ বর্তমানে মুম্বই সিটি এপসিতে খেলা গোইয়ানের একই সঙ্গে মাথা ফেটে যাওয়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই বারবার মুম্বই সিটি এফসির সহকারি কোচ অ্যান্টনি ফার্নান্দেজ টেকনিকাল এরিয়ার মধ্যে ঢুকে পড়ছিলেন। খেলা শুরুর আধ ঘন্টার মাথায় রেফারি তাঁকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন।
আর ভিয়েইরা-গোইয়ানের মাথা ফাটে ম্যাচের ৬০ মিনিট নাগাদ। লাঞ্জারোতে একটি ভাল ক্রস ভাসিয়েছিলেন মুম্বইয়ের ৬ গজের বক্সের ভিতরে। দুজনেই হেড করতে লাফিয়েছিলেন। ভিয়েইরার ছোঁয়াটা ঠিকছঠাক না হওয়ায় বল বারপোস্টের উপর দিয়ে উড়ে যায়। কিন্তু দুই প্রতিপক্ষ ফুটবলারেরই মাথা ফেটে যায়। যে কারণে তাঁদের দুজনকেই এরপর মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে নামতে হয়।
মুম্বইয়ের রাফায়েল বাস্তোস, আর্নল্ড ও সুগৌ মুদৌ - তিনজনই আজ ফর্মে ছিলেন না। আর এটিকের বলবন্ত ও কোমল থাতালও ছইলেন নিষ্প্রভ। এই অবস্থায় দুপক্ষই দূরপাল্লার শটে গোল করা চেষ্টা করে। কিন্তু বেশিরভাগই লক্ষ্যভ্রস্ট হয়েছে। বাকিগুলি গিয়েছে গোলরক্ষকদের হাতে।
এটিকে এরপর খেলবে শক্তিশালী এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। আর মুম্বইকে সাত দিনের মধ্যে খএলতে হবে তিন-তিনটি ম্যাচ - দিল্লি, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু।