করোনা ভাইরাসের আবহে সংযুক্ত আমিরশাহীর দর্শকশূন্য স্টেডিয়াম এবং বায়ো সিকিওর পরিবেশে হবে এবারের আইপিএল। তাই টুর্নামেন্টের এবারের সংস্করণে ম্যাচ কিংবা স্পট ফিক্সিং বা দুর্নীতির সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি বিরোধী শাখার প্রধান অজিত সিং।
ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রভাব বাড়তে থাকায় বিসিসিআই বাধ্য হয়ে আইপিএল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে বিসিসিআই। অতিমারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে সৌরভ গঙ্গোপপাধ্যায় শিবির। তার মধ্যে অন্যতম ম্যাচ ছাড়া অন্য সময় ক্রিকেটারদের কেবল দলের সঙ্গে বায়ো সিকিওর বাবলেই থাকা। অর্থাৎ এই সময় অন্য দলের ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, দর্শক কিংবা বাইরের কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দেখা কিংবা কথা বলতে পারবেন না খেলোয়াড়েরা।
করোনা ভাইরাসের জেরে লাগু হতে চলা এই কড়াকড়িতেই এবারের আইপিএলে দুর্নীতির হার আগের থেকে কমবে বলে মনে করেন বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি বিরোধী শাখার প্রধান অজিত সিং। তাঁর কথায়, ক্রিকেটাররা বহিরাগতদের সঙ্গে দেখা করতে না পারলে সরাসরি অপরাধ কমবে। তবে ফোন কিংবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বুকিরা আইপিএল খেলা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিসিসিআই কর্তা। সেক্ষেত্র হোটেল, জিম, ড্রেসিং রুমে ক্রিকেটারদের গতিবিধির ওপর নজরদারির পক্ষে সওয়াল করেছেন অজিত সিং।
২০১৩ সালের আইপিএল ফিক্সিং কাণ্ড নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া এস শ্রীসন্থ সহ তিন ভারতীয় ক্রিকেটারকে বাইশ গজ থেকে আজীবন নির্বাসন করা হয়েছিল। পরে শ্রীসন্থের শাস্তি কমিয়ে দেওয়া হয়। দুর্নীতির দায়ে আইপিএলের অন্যতম সফল দল চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসকে দুই বছরের জন্য টুর্নামেন্ট থেকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।
আইপিএল সেরা প্রথম পাঁচ পার্টনারশিপের দিকে নজর ফেরানো যাক